অলস্পোর্ট ডেস্ক: এই সমস্যা যে কবে থামবে তা কেউ জানে না। ঘন ঘন দলের নাম বদলালে যা হয় আর কী। ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান-এর ক্ষেত্রেও তেমনটাই ঘটছে প্রতিনিয়ত। একদিন আগেই মোহনবাগানের সঙ্গে সুপার জায়ান্ট জুড়ে মোহনবাগানের লোগো সামনে আনা হয়েছে। এদিকে এসসি ইস্টবেঙ্গল থেকে বদলে সেটা ইস্টবেঙ্গল এফসি হয়েছে। কিন্তু কলকাতার দুই প্রধান ক্লাবের পুরনো নাম এখনও জ্বল জ্বল করছে বিভিন্ন জায়গায়। মার্টিনেজ এপিসোডে ফিরে এল দুই ক্লাবের পুরনো নাম, পুরনো সংস্থার সঙ্গে যা যুক্ত ছিল। আর সেটা রীতিমতো মঞ্চে ব্যাকড্রপ জুড়ে থাকল পুরো সময়টাই। যা দেখে খুব্ধ দুই দলেরই সমর্থকরা।
সোমবার কলকাতায় পৌঁছেছে বিশ্বকাপ ও গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী গোলকিপার এমি মার্টিনেজ। যাঁকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। বিমান বন্দর থেকেই সেই উত্তেজনার আঁচ পেতে শুরু করেছে ফুটবলের শহর। তিনিও বেশ বুঝতে পারছেন এই শহরের ফুটবল উন্মাদনা। তবে কলকাতার দুই প্রধানের নামের সমস্যা সম্পর্কে তাঁর জানার কথা নয়। বরং রাজ্য জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ফুটবল ফ্যানদের ক্যামেরাতেই ধরা পড়ে যাচ্ছে এই নাম বিভ্রাটের ছবি।
মঙ্গলবার এমি মার্টিনেজের একগুচ্ছ অনুষ্ঠান ছিল। তার মধ্যে মিলন মেলায় ‘তাহাদের কথা’ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন তিনি। সেই মঞ্চে আবার হাজির ছিল দুই ক্লাবের দুই শীর্ষ কর্তা। ইস্টবেঙ্গলের তরফে ছিলেন দেবব্রত সরকার আর মোহনবাগানের তরফে দেবাশিস দত্ত। বিমান বন্দরেও দেখা গিয়েছিল দেবাশিস দত্তকে। দুই ক্লাবের তরফে দুই ষীর্ষ কর্তা সংবর্ধনা জানান বিশ্বকাপার গোলকিপারকে। আর সেই মঞ্চেই উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল ও এটিকে মোহনবাগানের। যা অনেকদিন হল অতীত হয়েছে। আর তার সামনেই দাঁড়িয়ে দুই ক্লাবের দুই কর্তা।
এদিন মার্টিনেজের হাতে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের আজীবন সদস্যপদ তুলে দেওয়া হয়। মঞ্চে দাঁড়িয়েই তিনি পরে ফেলেন ইস্টবেঙ্গলের জার্সি। তাঁর হাতে দেওয়া হয় ইলিশ মাছও। সেই মঞ্চ থেকেই ‘জয় ইস্টবেঙ্গল’ও শোনা গেল তাঁর গলায়। সংবর্ধনা দেওয়া হল মোহনবাগানের তরফেও।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
