ম্যাচের সেরা ফাবিয়ান রুইজ। ছবি—বিশ্ব ক্লাব কাপের এক্স হ্যান্ডল থেকে।
অলস্পোর্ট ডেস্ক: পিএসজির সোনার মরশুম চলছে। তাদের বিজয়রথের দৌড় অব্যাহত। সেমিফাইনালে রিয়েল মাদ্রিদকে ৪-০ গোলে চূর্ণ করে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে এক নয়া ইতিহাস গড়ার সামনে দাঁড়িয়ে তারা। ২৫ এপ্রিল লিগ ওয়ান জেতার ১০০ দিনের মাথায় ১৩ জুলাই মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনালে চেলসিকে হারিয়ে মরশুমের চতুর্থ ট্রফি জয়ের হাতছানি পিএসজির সামনে। মাঝে জিতেছে কুপ দ্য ফ্রান্স ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ট্রফি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে হারানোর পর থেকে ক্লাব বিশ্বকাপে সেই ছন্দটাই ধরে রেখেছিল পিএসজি। তাতে মেটলাইফ স্টেডিয়ামের সেমিফাইনালে ৪-০ গোলের অনায়াস জয় তুলে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। ৬ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। ৯ মিনিটে ২-০ করেন ওসুমানে ডেমবেলে। ২৪ মিনিটে রুইজের দ্বিতীয় গোলে ৩-০। এমবাপের দলের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন গঞ্জালো র্যামোস ৮৭ মিনিটে চতুর্থ গোল চাপিয়ে দিয়ে।
২১ গোল করে লিগ ওয়ান গোল্ডেন বুট জয়ী ডেমবেলের এটা ছিল প্রথম ম্যাচ, যেটাতে তিনি শুরু থেকে খেললেন। ফ্রান্সের হয়ে ৫ জুন খেলার সময় কোয়াড্রিশেপ পেশিতে চোট পাওয়ার ফলে ক্লাব বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মাঠের বাইরে থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন। নকআউটের দু’টি ম্যাচে নেমেছিলেন বদলি হিসেবে। ডেমবেলের খেলা ও গোল নিয়ে পিএসজি কোচ লুই এনরিকের প্রতিক্রিয়া, ‘ এই প্রথমবার ক্লাব বিশ্বকাপে ডেমবেলেকে শুরু থেকে ব্যবহার করতে পারলাম। ও এই মরশুমের সেরা ফুটবলার হিসেবে দলকে সার্ভিস দিয়েছে। আমার বিশ্বাস, ভাল খেলার পুরস্কার হিসেবে মরশুমের চতুর্থ ট্রফি ক্লাব বিশ্বকাপটাও ও জিতবে, দলের সাফল্যের মুকুটে আরও একটা পালক জুড়বে। একটা সোনার দৌড় চলছে আমাদের। এটা সম্ভব হয়েছে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, টিম ডিরেক্টর্স, ম্যানেজার, আর সর্বোপরি পিএসজি ভক্তদের জন্য। ফ্যানরাই তো বাড়তি শক্তি, প্রেরণা দলের জন্য। সামনের ফাইনালে ওদের উপস্থিতি ফুটবলারদের উজ্জীবিত করবে।’
ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠে উচ্ছ্বসিত জোড়া গোল করা ফাবিয়ান রুইজ। তাঁর প্রতিক্রিয়া, ‘ আরও একটা ফাইনালে উঠে খুব ভাল লাগছে। দলগত প্রচেষ্টা, সংহতির জন্য এটা সম্ভব হয়েছে। আমাদের মাঝে পারস্পরিক বোঝাপড়াটা দারুন। আমাদের নবীন গ্রুপের মধ্যে একটা বাড়তি জোস আছে ট্রফি জেতার। সেটাই সাফল্য আনছে বারবার। ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনালে সামনে চেলসি। লড়াইটা কঠিন। একটা ইতিহাস গড়ার সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আমরা সকলেই খুব রোমাঞ্চিত। তবে ফাইনালে বাড়তি আবেগটা ধরে রেখে জেতার লক্ষ্যে ঝাঁপাতে তৈরি। চাপ না নিয়ে , ফাইনালটা উপভোগ করা জরুরি জিততে।’
রিয়েল মাদ্রিদের জার্সিতে কিলিয়েন এমবাপের খারাপ সময় চলছেই সেখানে। রিয়েল মাদ্রিদ কোচ জাভি আলোনসোর অকপট স্বীকারোক্তি, খুব বেদনাদায়ক হার। নিজেদের খেলার মানের ধারেকাছে ছিল না এদিন তাঁর দলের ফুটবলাররা।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
