Cart Total Items (0)

Cart

All Sports
ভারতীয় অ্যান্টি ডোপিং সংস্থা, নাডা

অলস্পোর্ট ডেস্ক: বিশ্ব অ্যান্টি ডোপিং সংস্থা(ওয়াডা), ভারতীয় অ্যান্টি ডোপিং সংস্থার (নাডা) বিরুদ্ধে বেশকিছু তথ্য প্রমাণ পেয়েছে যেখানে স্পষ্ট বোঝা যায় ভারতীয় অ্যান্টি ডোপিং সংস্থা, নাডা ঠিকঠাক কাজ করছে না। একটি তদন্তে অ্যাথলিটদের ১২টি পজিটিভ পরীক্ষা এবং ৭০ জন অ্যাথলিটের ৯৭টি বিষয়ের সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

ওয়াডার গোয়েন্দা ও তদন্ত বিভাগের মঙ্গলবার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের পরে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। যেখানে তারা জানায়, নাডার পরীক্ষামূলক কর্মসূচির উপাদানগুলি ওয়াডা কোড এবং আইএসটিআইয়ের সঙ্গে মিলছে না।

২০১৮-তে  ‘অপারেশন ক্যারোসেল’ নামে পরিচিত ওয়াডার এই দীর্ঘমেয়াদী তদন্ত চালু হয়েছিল। নাডা রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুলে (আরটিপি) কিছু ক্রীড়াবিদদের উপর নাডা পর্যাপ্ত পরীক্ষা চালায়নি এবং যথাযথ পর্যবেক্ষণ করতেও ব্যর্থ হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।

‘‘এই তদন্তে বেছে নেওয়া হয়েছে ভারতের কিছু খেলা এবং কয়েকজন অ্যাথলিটকে। যার ফল নাডার সাহায্যে ১২টি পজিটিভ পরীক্ষা এবং ৭০ জন অ্যাথলিটের ৯৭টি বিষয়ের সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। এগুলো এখন উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে কাজে লাগবে,’’বলেছে ওয়াডা। ওয়াডা উল্লেখ করেছে যে নাডার কাছে তথ্যের যথেষ্ট অভাব ছিল তা স্পষ্ট প্রমাণ হয়েছে।

“২০১৬ থেকে, ওয়াডা তাদের অ্যান্টি-ডোপিং প্রোগ্রামকে উন্নত করতে নাডার সঙ্গে কাজ করছে। ক্রীড়াক্ষেত্রে অসঙ্গতিগুলির মোকাবেলা করার জন্য ওয়ার্ল্ড ডোপিং কোড এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের দ্বারা বিভিন্ন সংশোধনমূলক পদক্ষেপ প্রদান করা হয়,” বলেছেন ওয়াডা গোয়েন্দা ও তদন্ত বিভাগ পরিচালক, গুন্টার ইয়ংগার৷

তিনি বলেন, ‘‘আমাদের গোপনীয় তথ্য প্ল্যাটফর্ম, ‘স্পিক আপ!’-এর মাধ্যমে আসা কিছু প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে, ওয়াডার গোয়েন্দা ও তদন্ত বিভাগ ‘অপারেশন ক্যারোসেল’ চালু করেছিল, যার মাধ্যমে আমরা স্পষ্ট প্রমাণ পাই যে নাডার সংস্থানগুলির তথ্যের অভাবের অর্থ হল এটি পর্যাপ্ত স্তরের পরীক্ষা পরিচালনা করছে না এবং নিবন্ধিত টেস্টিং পুলে অ্যাথলিটদের ঠিকঠাক তদারকি এবং ব্যবস্থাপনা নেয়নি।” যদিও রিপোর্টে বলা হয়েছে যে ‘অপারেশন ক্যারোসেল’ চালু হওয়ার পর থেকে নাডা সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার এবং তার সংস্থানগুলিকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে।

যেহেতু ‘অপারেশন ক্যারোসেল’ ২০২২ -এর শেষের দিকে নাডার সাথে যুক্ত হয়েছে, নাডা তার  অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াগুলিকে উন্নত করে এবং মানব ও আর্থিক উভয় ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য অতিরিক্ত সংস্থান এনে তার পরীক্ষামূলক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করেছে৷

ফলস্বরূপ, রক্তের নমুনা সংগ্রহ এবং প্রতিযোগিতার বাইরে পরীক্ষা (প্রস্রাব এবং রক্ত) উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া নাডা তার নমুনা সংগ্রহের কর্মীদের দ্বিগুণ করেছে, ডোপিং কন্ট্রোল অফিসারসহ, এবং তাদের ব্যবস্থাপনায় উন্নতি করেছে।”

 রিপোর্টে যোগ করা হয়েছে যে যদিও নাডা তার অ্যান্টি-ডোপিং প্রোগ্রামকে শক্তিশালী করতে ওয়াডার থেকে সহায়তা পাবে, তবুও ওয়াডা নিরীক্ষণ অব্যাহত রাখবে।

রিপোর্টে আরও বলা হয়, “সংগঠনটি তার অনুসন্ধানমূলক এবং গোয়েন্দামূলক অ্যান্টি ডোপিং প্রোগ্রামগুলিকে আরও বিকাশিত ও শক্তিশালী করতে বাহ্যিক সহায়তা পাবে৷ ওয়াডার টাস্কফোর্স নাডার ক্রিয়াকলাপের দিকে নজর অব্যাহত রাখবে, যাতে এটি তার উচ্চ মান বজায় রাখে সমস্ত আন্তর্জাতিক দরবারে।’’

২০১৯-এ বিশ্ব সংস্থা, নাডাকে ৬ মাসের জন্য সাসপেন্ড করেছিল কারণ আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ল্যাবরেটোরিজ (আইএসএল)-এর সঙ্গে নাডা সামঞ্জস্য করেনি।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *