অলস্পোর্ট ডেস্ক: শুক্রবারও পাকিস্তান ক্রিকেট দলের হতাশা কাটল না, উল্টে সেমির লড়াইয়ে নাম লেখানোর চাপ বাড়ল আরও। এদিন ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর পাকিস্তান বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচে ফের একবার হারের মুখ দেখল বাবরের দল। কঠিন লড়াইয়ের পর এক উইকেটে ম্যাচ জিতে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। পাকদলের চতুর্থ হার ছিল এটি। ফলস্বরূপ, পয়েন্ট টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে অবস্থান থাকলেও, ছয় ম্যাচে মাত্র চার পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে নকআউট পর্বে তাদের সিট বুক করা অত্যন্ত কঠিন হতে চলেছে।
অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা ভারতীয় ক্রিকেট দলকে পিছনে ফেলে শীর্ষস্থান ছিনিয়ে নিয়েছে। টুর্নামেন্টে দু’দলেরই ১০ পয়েন্ট করে থাকলেও দক্ষিণ আফ্রিকার (+২.০৩২) নেট রান রেট ভারতের (+১.৩৫৩) থেকে তুলনামূলকভাবে ভাল। নিউজিল্যান্ড এই মুহূর্তে তৃতীয় এবং অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কা যথাক্রমে চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে।
পাক দলের হাল এখন ‘আশায় বাঁচে চাষা’র মতো। কারণ, সেমিফাইনালে ওঠার জন্য তাদের প্রয়োজন বাকি দলগুলোর হার এবং নিজেদের সব ম্যাচ জয়। অর্থাৎ ব্যখ্যা করে বলতে গেলে, পাকিস্তানের বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এখনও ম্যাচ খেলা বাকি। এই তিনটি ম্যাচ জিততে পারলে পাক দলের স্কোর ১০-এ পৌঁছবে। কিন্তু বাবর আজমরা যদি সব ম্যাচ জিতেও যান তারপরেও তাদের নজর রাখতে হবে পয়েন্ট টেবিলে তাদের উপরে থাকা শীর্ষ দুই দলের হারের দিকে।
শ্রীলঙ্কা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দল যদি তাদের বাকি সব ম্যাচ হেরে যায়, তবেই পাক দলের জন্য সেমিফাইনালে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এই অবস্থায় অস্ট্রেলিয়ার রয়েছে ছয় পয়েন্ট। টেবিলের চার নম্বরে রয়েছে তাঁরা এবং শ্রীলঙ্কা রয়েছে পাঁচে। পাকিস্তানের মতো তাদেরও রয়েছে চার পয়েন্ট। এই দুই দল যদি আর কোনও ম্যাচ জিততে না পারে তবে তাদের স্কোর ১০ পয়েন্টের কমে শেষ হবে। যার ফলে সুবিধা হবে পাকিস্তান দলের।
শুক্রবারের ম্যাচে পাকিস্তান ২৭০ রানে অলআউট হয়ে যায়। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে খেলা জমে ওঠে। বাবররা আফ্রিকানদের নয় উইকেট তুলে নিতে সক্ষম হলেও শেষে আর একটি উইকেট বাকি থাকতে ৪৭.২ ওভারে ২৭১ রান করে ম্যাচ জিতে যায় তেমবা বভুমার দল। দলের হয়ে এইডেন মার্করাম সর্বোচ্চ রান ৯৩ বলে ৯১ করেন।
পাক ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক বাবর আজম ৬৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন এবং শাকিল সর্বোচ্চ ৫২ রান করতে সক্ষম হন। শাদাব খানও ৩৬ বলে ৪৩ করে আউট হন। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের দাপট পাকিস্তান দলকে ক্রিজে বেশিক্ষণ দাঁড়াতে দেয়নি তাবারিজ শামসি (৪/৬০) সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন এদিন।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
