জয় এল কেকেআরের। ছবি সৌজন্যে ট্যুইটার
নিজস্ব সংবাদদাতাঃ বৃহস্পতিবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৫ রানে হারিয়ে প্লে অফে ওঠার আশা জিইয়ে রাখল কেকেআর। ব্যাট হাতে রিঙ্কু সিংহ এবং নীতীশ রানার লড়াই ব্যর্থ হতে দেননি শার্দূল ঠাকুররা। প্রথমে ব্যাট করে কলকাতা ১৭১ রান তোলে। হায়দরবাদের ইনিংস শেষ ১৬৬ রানে।
পুরো আইপিএলেই ধারাবাহিক ভাবে রান পাচ্ছেন রিঙ্কু। কেকেআরের হয়ে নিয়মিত রান করা রিঙ্কু না থাকলে এই ম্যাচে ১৫০ রান পার করা কঠিন হত। ৩১ বলে ৪২ রান করা নীতীশ তিনটি ছক্কা এবং তিনটি চার মারেন। অর্থাৎ ছ’বলে ৩০ রান করেন তিনি। বাকি ১২ রান করতে নেন ২৫ বল। রিঙ্কু সেখানে চার, ছয় নয়, বরং সিঙ্গলস নিয়ে স্কোরবোর্ড সচল রাখার কাজটি করছিলেন। তাঁরা ৬১ রানের জুটি গড়েন। যা কেকেআর-কে লড়াই করার মতো জমি তৈরি করে দিয়েছিল।
এই ম্যাচে কলকাতা দলে ছিলেন জেসন রয় এবং রহমানুল্লা গুরবাজ। কিন্তু দুই বিদেশি ওপেনারের কেউই কলকাতাকে ভরসা দিতে পারলেন না। গুরবাজ কোনও রান না করেই আউট হয়ে যান। তিনি প্রথম বলেই ছক্কা মারতে গেলেন। মার্কো জানসেনের বলে তাঁর ব্যাট দেরিতে আসে। ক্যাচ উঠে যায় মিডউইকেটে। শুরুতেই এমন ভুল কলকাতাকে ধাক্কা দেয় দ্বিতীয় ওভারেই। জেসন করেন ২০ রান। ১৯ বল খেলেন তিনি সেই রান তুলতে। বেঙ্কটেশ আয়ার মাত্র ৭ রান করে আউট হন। জানসেনের বাউন্সার সামলাতে না পেরে আউট হন তিনি। ৩৫ রানের মধ্যে কলকাতার প্রথম তিন ব্যাটার সাজঘরে ফিরে যান।
আন্দ্রে রাসেল ১৫ বলে ২৪ রান করেন। দু’টি ছক্কা মারেন তিনি। কিন্তু বেশির ভাগ ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও বড় রান এল না তাঁর ব্যাট থেকে। ইনিংস গড়ার মতো নির্ভরতা এখন আর রাসেলের থেকে পাচ্ছে না কলকাতা। ব্যাট হাতে নির্বিষ সুনীল নারাইনও। ২ বলে মাত্র ১ রান করে আউট তিনি। শার্দূল ঠাকুর করেন ৮ রান। হায়দরাবাদের হয়ে উইকেট নেওয়া শুরু করেছিলেন মার্কো জানসেন।
জবাবে মার্করাম ও হেনরিক ক্লাসেন জুটি গড়ে চেষ্টা করলেও জয় এল না সানরাইজার্সের। মার্করাম ৪১রান করেন। শেষদিকে আব্দুল সামাদ ২১ রান করেন। বাকি কোনও ব্যাটার আর ক্রিজে টিকে থাকতে পারেননি। দুটি করে উইকেট নেয় বৈভব অরোরা ও শার্দূল ঠাকুর।
Advertisement
