অলস্পোর্ট ডেস্ক: দুরন্ত একটা লড়াই। যদিও ইংল্যান্ড বনাম ভারত তৃতীয় টেস্টের শেষ দিন লর্ডসে শেষ হাসি হাসল ইংল্যান্ডই। কিন্তু কোনওভাবেই ভারতের লড়াইকে অগ্রাহ্য করা যাবে না। শেষ পর্যন্ত ভারতের টেল এন্ডাররা দাঁতচাপা যে লড়াই দিলেন তা বাকি দুই ম্যাচে ভারতের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে। সমানে সমানে লড়াইয়ের একটাই ফল, টেস্ট ম্যাচ পাঁচ দিনের শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়া। সাম্প্রতিক অতীতে টেস্ট ম্যাচ থেকে এটাই হারিয়ে গিয়েছিল, যা এই সিরিজের প্রথম থেকেই ফিরে এসেছে। যা তৃতীয় টেস্টেও দেখা গেল। এই ম্যাচ শেষ উইকেট পর্যন্ত এমন একটা জায়গায় ছিল যেখানে যে কোনও দলের কোর্টেই শেষ হতে পারত। যা ২২ রানে জিতে নিল ইংল্যান্ড। যার ফলে সিরিজে ২-১-এ এগিয়ে গেল হোম টিম।
প্রথম ইনিংসে দুই দলই ৩৮৭ রানে অল-আউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংস ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেখানে ১৯২ রানে শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ড। ভারতের সামনে জিততে হলে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৯৩ রানের। পুরো একটা দিন তখনও হাতে। মনে হতেই পারে, সহজ জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। কিন্তু পাঁচ দিনে এসে এই পিচে রান করা ছিল কঠিনতম কাজ। যা চতুর্থ দিনেও বড় রানে নিয়ে যেতে পারেনি ইংল্যান্ডকে। ভারত অবশ্য চতুর্থ দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে চার উইকেট হারিয়ে ৫৮ রানে থেমেছিল। যার ফলে পঞ্চম দিন শুরু থেকেই কঠিন হয়ে গিয়েছিল।
৫৮-৪ থেকে পঞ্চম দিনের শুরুতে ৮৭-৭-এ নেমে যায় ভারত। ৭১ থেকে ৮২ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। কেএল রাহুল ৩৯, ঋষভ পন্থ ৯ ও ওয়াশিংটন সুন্দর কোনও রান না করেই ফিরে যান। প্রথম ইনিংসের মতো তার আগেই ব্যাট হাতে লড়াই করা শুরু করেছিলেন রবীন্দ্র জাডেজা। তাঁর সঙ্গে কখনও নীতীশ কুমার রেড্ডি, কখনও যশপ্রীত বুমরাহ, কখনও মহম্মদ সিরাজের কাঁধে দায়িত্ব পড়েছিল ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। চেষ্টায় ত্রুটি ছিল না কিন্তু জাডেজার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেই লড়াইটা দিতে পারেননি কেউই।
নীতীশ কুমার ১৩, বুমরাহ ৫ ও সিরাজ ৪ রান করে আউট হয়ে যান। ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন রবীন্দ্র জাডেজা। ৭৪.৫ ওভারে ১৭০ রানে অল-আউট হয়ে যায় ভারত। ইংল্যান্ডের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন জোফরা আর্চার ও বেন স্টোকস। দুই উইকেট ব্রাইডন কার্সের। একটি করে উইকেট নেন ক্রিস ওকস ও শোয়েব বশির। ম্যাচের সেরা ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকস।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
