অলস্পোর্ট ডেস্ক: ব্রাইট এনোবাখারেকে নিশ্চয়ই মনে আছে সকলের। নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার। এসসি ইস্টবেঙ্গলের হয়ে আইএসএলে খেলছিলেন ২০২১ সালে। ১২ ম্যাচে ৩ গোল করেছিলেন। তার মধ্যে ৫ জনকে কাটিয়য়ে ব্রাইটের গোলের কথা লাল হলুদ সমর্থকদের মুখে মুখে এখনও ঘোরে। সেই ব্রাইটকে আবার ভারতীয় ফুটবলের মূলস্রোতে ফেরাচ্ছে ডায়মন্ড হারবার এফসি। ব্রাইটের সঙ্গে চুক্তি হয়ে গেছে। এবার তাঁর শুধু কলকাতায় পা দেওয়ার অপেক্ষা।
চুক্তি হয়ে গেলেও কাগজপত্রের কিছু সমস্যায় ব্রাইটের আইআরটিসি সহ ভিসা সাময়িক আটকে ছিল। তবে সেসমস্যা এখন মিটে গেছে। ডায়মন্ড হারবার এফসির কর্ণধার আকাশ ব্যানার্জি জানিয়েছেন, ‘ সব সমস্যা মিটিয়ে ভিসার আবেদন করাও হয়ে গেছে। সব ঠিকঠাক থাকলে, ব্রাইট ডুরান্ডে মোহনবাগান এসজি ম্যাচের আগে কলকাতায় পা রাখতে পারে। আমরা আশাবাদী।’
এসসি ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে যাওয়ার পর এখনও পর্যন্ত কভেন্ট্রি সিটি, হাপোয়েল জেরুজালেম, রুক এলভিভ, আল বিড্ডা ক্লাবে ব্রাইট খেলেছেন। তবে কলকাতায় পা দিয়েই ডুরান্ডের ম্যাচ খেলার জন্য কতটা তৈরি থাকবেন ব্রাইট, সেটা এখন থেকে বলা মুশকিল। ডায়মন্ড হারবার এফসি চিফ কোচ কিবু ভিকুনার বক্তব্য, ‘ আগে আসুক ব্রাইট, দেখি কী অবস্থায় আছে, তারপর ওকে খেলানোর কথা ভাবব। সবচেয়ে বড় কথা, কোনও ফুটবলারের পক্ষেই নতুন দলে এসে মানিয়ে নেওয়া বা বোঝাপড়া রাতারাতি গড়ে তোলা সম্ভব নয়। ওকে সময় দিতে হবে। আমার খেলার কৌশলের সঙ্গে রপ্ত হওয়া জরুরি। একইসঙ্গে সতীর্থদের সঙ্গে বোঝাপড়াটাও। তবে এটা ঠিক, যদি ফিট ও ফর্মে থাকে, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে ব্রাইটের অন্তর্ভুক্তিতে দলের আক্রমণের ধার বাড়বে। গোল করার লোকও।’
ডুরান্ড কাপে মহমমেডানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে দলের খেলায় সন্তুষ্ট হননি কোচ কিবু ভিকুনা। মেনেও নিলেন, তাঁর দলের ফুটবলাররা ৩ ব্যাকে খেলার কৌশলটা প্রথম ম্যাচে রপ্ত করতে পারেনি। কিবুর মতে, ‘ কলকাতা লিগে যে দলটা খেলে তার সঙ্গে ডুরান্ডে খেলা দলের অনেক তফাৎ। সেখানে মহমমেডানের একটা দলই কলকাতা লিগ ও ডুরান্ডে খেলছে। ফলে ওদের ফুটবলাররা যে গেম টাইম বা ম্যাচ প্র্যাকটিস পেয়েছে, তা আমার ফুটবলাররা পায়নি। ডুরান্ডে অনেকেই প্রথমবার ৯০ মিনিট ম্যাচ খেললে। অনেকের কাছে প্রথমবার যুবভারতীর বড় মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা হল। তাই ওদের সড়গড় হতে সময় লেগেছে। ৩ ব্যাকে খেলার কৌশলটা মানাতে পারছে না বুঝেই আমি পরে ৪ ব্যাকে চলে যাই। এতে কাজ হয়। তবে গোল খেয়ে প্রথম পিছিয়ে পড়লেও টেনশনে ছিলাম না। কারণ জানতাম আক্রমণের চাপ জারি রাখলে মহমেডান ভেঙে পড়বেই। সেটাই হয়েছে। প্রথম ম্যাচের ভুলত্রুটিগুলো শুধরে নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে আরও ভাল খেলা জরুরি। জিতে আত্মবিশ্বাস অটুট রাখা জরুরি গ্রুপের শেষ ম্যাচে মোহনবাগানের মুখোমুখি হওয়ার আগে।’
ক্লেইটন, লুকা মহমেডান ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন। মিখেলের কাগজপত্র এলে তিনিও মাঠে নামবেন। তারপর ব্রাইট এসে গেলে কিবুর অস্ত্র ভান্ডারের শক্তি আরও বাড়বে।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
