অলস্পোর্ট ডেস্ক: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এশিয়া কাপে সুপার ফোরের ম্যাচে জেতার পর ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব মন্তব্য করেছিলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে খেলার মানের এতই পার্থক্য, সেটা আর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর্যায়ে পড়ে না। ‘রাইভালরি’ শব্দটা খাটে না। ভারতীয় দলের প্রাক্তন উইকেটকিপার-ব্যাটার দীপ দাশগুপ্তর মুখেও সেই এক কথা।
দীপের মতে, ‘ভারত যেভাবে এশিয়া কাপের দুটি ম্যাচে দুরমুশ করে হারিয়েছে,তারপর রাইভালরি, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শব্দগুলো পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে অচল। ওরা আর ধর্তব্যের মধ্যে আসে না। সবটাই একতরফা। বরং ভারত-অস্ট্রেইয়া, ভারত-নিউজিল্যান্ড, ভারত-ইংল্যান্ডের মধ্যে লড়াইকে রাইভালরি আখ্যা দেওয়া চলে, কিন্তু ভারত-পাকিস্তান ম্যাচগুলো কখনওই নয়। দু’দলের মধ্যে মানের পার্থক্য এতটাই ঘটে গেছে, পাকিস্তানকে আমরা আর সমপ্রতিদ্বন্দ্বী দূরে থাক, প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবছি না।’
দীপের কথা অযৌক্তিক নয়। ১৫টি টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোখুখি হয়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত। তার মধ্যে ১২টা জিতেছে ভারত। এটা মাথায় রেখেই পাকিস্তানের এক সিনিয়র সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার মন্তব্য করেন, ‘ স্যার, কিছু মনে করবেন না। ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচকে আর রাইভালরি বলা বন্ধ করুক।’
সিনিয়র ওই সাংবাদিক বলার চেষ্টা করেছিলেন, রাইভালরি মানে শত্রুতা নয়, খেলার মানের কথা বলতে চেয়েছেন, তার উত্তরে সূর্যকুমারের প্রতিক্রিয়া ছিল, ‘ স্যার, ওটা একই হল। কোনও পার্থক্য নেই। কোয়ালিটি আর রাইভালরি একই। প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা হাড্ডাহাড্ডি লড়াই কোথায় পাকিস্তানের সঙ্গে? যদি এমনটা হত দু’দলের খেলায় ১৫ ম্যাচের মধ্যে একজন ৮ টা জিতেছে অন্যজন ৭টা, তাহলে রাইভালরি শব্দটার মানে থাকত। যেখানে ভারতের আধিপত্য বা জয়ের পরিসংখ্যান ১৩-১(১২-৩) বা ওইরকম কিছু, সেখানে লড়াই বলে কিছু থাকে না। গোটা ব্যাপারটা ভারতের পক্ষে একতরফা হয়ে গেছে।’
