Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক:‌ আদালতের ‘‌তারিখ পে তারিখের’‌ মতো আইএসএস শুরুর জট ছাড়াতে কখনও এআইএফএফ কমিটি ও ক্লাবজোটের প্রতিনিধিদের মধ্যে বা কমিটির প্রতিনিধিরা মিটিংয়ের পর মিটিং করেই চলেছেন দিনের পর দিন। কিন্তু কোনও ফয়সালা এখনও পর্যন্ত হয়নি। রোজই নতুন করে নানা প্রশ্ন ও ইস্যু ক্লাব জোটের তরফে তুলে ধরায়। রবিবার হওয়া শেষ বৈঠকে ক্লাবজোটের পক্ষে এআইএফএফ কমিটি জানতে চায়, ন্যুনতম কটি ম্যাচ খেললে এএফসি তাদের টুর্নামেন্টে খেলার অনুমোদন দেবে?‌ এএফসির স্লট না পেলে ‌অল্পসময়ের মধ্যে কমসংখ্যক ম্যাচ খেলে কী লাভ?‌ একইসঙ্গে ক্লাবের ওপর থেকে আর্থিকভার কমাতে আইএসএলের অপারেশনাল বাজেট কতটা কমানো যায়, সেটা নিয়েও ভাবা জরুরি। এআইএফএফ যখন আইএসএল পরিচালনার দায়িত্ব নিচ্ছে, তখন তারাই ভাবুক সেই খরচ কীভাবে কমানো যায়?‌

এই দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে নিজেদের মধ্যে ও ক্লাবগুলোর সঙ্গে সোমবার বৈঠক সারেন এআইএফএফ তিন সদস্যের কমিটির প্রতিনিধি আইএফএ সচিব অনির্বান দত্ত, কেরল ফুটবল সংস্থার সভাপতি নাভাস মিরান, গোয়া ফুটবল সংস্থার সভাপতি কাইতানো ফার্নান্ডেজ। সেখানে একাংশ ক্লাব প্রতিনিধিদের সঙ্গে অংশগ্রহণ ও বাজেট নিয়ে আলোচনা সেরেছেন তাঁরা। সোমবার এই বৈঠকে মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহমেডানের প্রতিনিধি ছিলেন না। মঙ্গলবার বাকি ক্লাবগুলোর পাশাপাশি কলকাতা তিন প্রধানের সঙ্গে কথা বলবেন এআইএফএফের প্রতিনিধিরা। যারা সশরীরে বৈঠকে হাজির থাকতে পারবে না, তাদের ফোনে ও মেল মারফত অংশ্রগ্রহণের অনুমোদন সহ বাজেট সংক্রান্ত সংশোধিত প্রস্তাব পাঠানো হবে। ৩০ কোটি টাকার বাজেট বেশ কয়েকটি ক্লাবের কাছে বেশি মনে হয়েছে নিজেদের পকেট থেকে খরচের ক্ষেত্রে। সেই বাজেট কতটা ও কীভাবে কমানো যায়, তা নিয়ে অঙ্ক কষছেন ফেডারেশনের কমিটির প্রতিনিধিরা।

আপাতত কলকাতা ও গোয়া দুটি ভেনু ধরেই আইএসএলের অপারেশনাল বাজেট কষা চলছে। যদি দেখা যায়, একটি ভেনু, মূলত শুধুমাত্র কলকাতায় আইএসএল আয়োজন করলে খরচ অনেকটাই কমে, তাহলে সেই পথে হাঁটতে পারে ফেডারেশন। কলকাতায় মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ও মহমেডানের মতো তিনটি দল থাকায়, একইসঙ্গে ইন্টার কাশীরও হোম এখনও কলকাতা, তাই গোয়ার থেকে কলকাতা অগ্রাধিকার পেতে পারে একটি ভেনুতে খেলা হলে। তবে এনিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

ঠিক কতগুলো ক্লাব প্রস্তবিত বাজেট অনুযায়ী খেলতে রাজি জানার পরই মঙ্গলবারের আলোচনা শেষে এএফসির কাছে এআইএফএফ কমিটি তাদের রিপোর্ট পেশ করবে এএফসিতে। সঙ্গে কীভাবে লিগ আয়োজন করার কথা ভাবছে তারা?‌ তখনই জেনে নেবে, কতগুলো ম্যাচ খেলার ওপর এএফসি টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের শ্লট বা অনুমোদন দেবে। আশা করা যায়, এএফসি বিশেষ পরিস্থিতিতে ভারতীয় ফুটবলের অচলাবস্থা কাটাতে এআইএফএফের প্রস্তাব মেনে নেবে। আর সেই সবুজ সংকেত পেলেই ৫ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক ও সুপ্রিম কোর্টে পেশ করবে আইএসএল সংক্রান্ত এতদিনের আলোচনার রিপোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদন পেতে সমস্যা হবে বলে মনে হয় না।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *