অলস্পোর্ট ডেস্ক: দীর্ঘ দশ বছরের বিরতির পর আবারও আন্তর্জাতিক ফুটবলের আসর বসতে চলেছে কেরালায়। ‘ঈশ্বরের আপন দেশ’ হিসেবে পরিচিত কেরালার মানুষরা ফুটবলপ্রেমীও। সেখানে যখন এতদিন পর জাতীয় ফুটবল দল খেলতে নামছে তখন তা ঘিরে উন্মাদনা তো থাকবেই। কিন্তু তার মধ্যেই বড় সমস্যার সম্মুখিন হতে হল। কিছু শেষ মুহূর্তের অভ্যন্তরীণ সমস্যার জেরে সাংবাদিক সম্মেলনই করা গেল না বৃহস্পতিবার। আগামী ৩১ মার্চ ভারত ও হংকংয়ের মধ্যে এএফসি এশিয়ান কাপ ২০২৭ বাছাইপর্বের ম্যাচের আগে বেশ নাটকীয় কিছু ঘটনার সাক্ষী থাকতে হল কোচির সংবাদ মাধ্যম থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে করতে যাওয়া কোচ, ফুটবলারদের।
কেরালা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (কেএফএ)-এর উদ্যোগে ভারত বনাম হংকং ম্যাচের আগে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল বৃহস্পতিবার। সেখানে সবাই পৌঁছে গেলেও স্টেডিয়ামে ঢুকতে পারেননি। জানা গিয়েছে, গ্রেটার কোচিন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি কোচির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামটি বন্ধ করে রেখেছিল। এই সাংবাদিক সম্মেলনে আহ্বান জানানো হয়েছিল দলের তিনজন কেরালার সন্তান—আশিক কুরুনিয়ান, সাহাল আব্দুল সামাদ এবং বিজয় ভার্গিসকে। ছিলেন ভারতীয় দলের প্রধান কোচ খালিদ জামিলও।
প্রধান কোচ খালিদ জামিলসহ খেলোয়াড়রা সাংবাদিক সম্মেলনের উদ্দেশ্যে স্টেডিয়ামে এসে পৌঁছালেও, সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় এবং স্টেডিয়ামের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি না মেলায় তারা সেখান থেকে ফিরে যান বলে জানা গিয়েছে।
এই বিষয়ে ফেডারেশন কী জানাল দেখুন:

“স্টেডিয়ামটি তিন লক্ষ টাকার বিনিময়ে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল, যার সঙ্গে পঁচিশ লক্ষ টাকার একটি নিরাপত্তা জামানত বা সিকিউরিটি ডিপোজিট-এর শর্তও যুক্ত ছিল। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ)-কে এই অর্থ কেএফএ-এর মাধ্যমেই দিতে হবে, কারণ তারাই এই ম্যাচের আয়োজক। তবে, নিরাপত্তা জামানতের অর্থ পরিশোধ নিয়ে কিছু জটিলতা দেখা দেওয়ায় জিসিডিএ সাংবাদিক সম্মেলনের জন্য স্টেডিয়ামের দরজা খুলে দেয়নি,” বিশেষ সূত্র জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি কেরালা ব্লাস্টার্সের প্রথম আইএসএল ২০২৫-২৬ মরসুমের সাংবাদিক সম্মেলনটিও একই ধরনের পরিস্থিতির কারণে ব্যাহত হয়েছিল। তবে ফেডারেশন সূত্রের খবর, ম্যাচের আগের দিনের সাংবাদিক সম্মেলনের আগে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। খেলা নিয়ে কোনও সমস্যা থাকবে না।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
