Cart Total Items (0)

Cart

All Sports
প্রবীর দাস

অলস্পোর্ট ডেস্ক: রবিবার আইএসএল ২০২৩-২৪-এ মুম্বই সিটি বনাম কেরালা ব্লাস্টার্সের ম্যাচ ছিল মুম্বইয়ে। সেখানে কেরালা ব্লাস্টার্সের ডিফেন্ডার প্রবীর দাস প্রতিপক্ষ দল মুম্বইয়ের একজন ফুটবলারের হাতে আক্রান্ত হন ম্যাচ চলাকালীন। চোখে জল নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। প্রাথমিক ভাবে মনে হয়েছিল যে তিনি আক্রান্ত হয়েছেন বলে হয়তো চোখে জল ছিল তাঁর। কিন্তু এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ একটি পোস্ট লেখেন বাংলার ছেলে প্রবীর। যেখানে তিনি অভিযোগ জানান যে তাঁর মা-কে হেনস্থা করা হয়েছিল মাঠে। সেই জন্যই তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন।

তিনি অভিযোগ আনেন তাঁর মা-কে হেনস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘আমার মা, যিনি আমার সব কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন, তাঁকে অবাঞ্ছিত হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে। আমার স্বপ্ন পূরণের জন্য আমার মা অনেককিছু ত্যাগ করেছেন। আমি এমন পরিবেশ থেকে আসি যেখানে প্রতিমুহূর্তে লড়াই করে বাঁচতে হয়। আমার মা আমাকে সেই শিক্ষা দিয়েছেন। আজ সেই তাঁরই এমন হেনস্থা আমি মেনে নিতে পারিনি। এদিন হেরে যাওয়ায় আমি চোখের জল ফেলিনি, আমার মায়ের অসম্মান হওয়ার জন্য আমি কেঁদেছিলাম।’’

সেইসঙ্গে প্রবীর এও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তাঁর চোখের জলকে কেউ যেন তাঁর দুর্বলতা না ভেবে বসেন। তিনি লেখেন, ‘‘আমার মায়ের প্রতি আমার ভালোবাসায় চোখে জল এসেছিল, দুর্বলতায় নয়। আমি দুর্বল নই। তবে যারা গুরুজনদের সম্মান করতে জানে না, তাদের প্রতি আমি বিন্দুমাত্র সহানুভুতিশীল হব না।’’

রবিবার ১-২ গোলে মুম্বই সিটির কাছে হেরে যায় কেরালা ব্লাস্টার্স। এদিনের ম্যাচটি ছিল মুম্বইয়ের মাঠে। ম্যাচ চলাকালীন মাঝেমধ্যেই দু’দলের ফুটবলাররা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ছিলেন। দু’দলের ফুটবলারকে লাল কার্ডও দেখান রেফারি। ম্যাচের সংযুক্তি সময়ের খেলা চলাকালীন পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। পিছিয়ে থাকায় গোল করার চেষ্টা করছিলেন প্রবীর। তখন একটি কর্নারের সময় পিছন থেকে হাত দিয়ে প্রবীরের গলা চেপে ধরেন মুম্বইয়ের ফুটবলার রস্টন গ্রিফিথ। কেরলের ফুটবলারেরা বার বার রেফারির হস্তক্ষেপের আবেদন করলেও রেফারি কিছু করেননি। এরকম আরও একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবার হাতাহাতির শুরু হয়। তারপরই চোখে জল নিয়ে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান প্রবীর। যদিও প্রবীর তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেননি কে বা কারা তারা মা-কে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করেছেন।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *