অলস্পোর্ট ডেস্ক: বর্ণবৈষম্যমূলক কোনও আচরণ বা মন্তব্য ফুটবল মাঠে এতটুকু সমর্থন করে না ফিফা। বরং খেলার মাঠে কোনও দলের ফুটবলার, কর্তা, সমর্থকদের সঙ্গে এমন কিছু ঘটলে কড়া হতে তা দমন করে ফিফা। ইতিমধ্যেই ফিফা এমন আচরণে জড়িত ব্যক্তি,...
বুধবার যত না লড়াই মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এবং কেরালা ব্লাস্টার্সের মধ্যে, ততটা সবুজ-মেরুন বাহিনীর সঙ্গে তাদের দুই প্রাক্তনী প্রীতম কোটাল ও প্রবীর দাসেরও।
গত শনিবার প্রীতম কোটাল তাঁর দীর্ঘদিনের ঘরের মাঠে খেলতে নেমেছিলেন অতিথি দলের অধিনায়ক হিসেবে। কেরালা ব্লাস্টার্সের রক্ষণ বিভাগকে তিনি নেতৃত্ব দেন।
রবিবার আইএসএল ২০২৩-২৪-এ মুম্বই সিটি বনাম কেরালা ব্লাস্টার্সের ম্যাচ ছিল মুম্বইয়ে। সেখানে কেরালা ব্লাস্টার্সের ডিফেন্ডার, প্রবীর দাস প্রতিপক্ষ দল মুম্বইয়ের একজন ফুটবলারের হাতে আক্রান্ত হন ম্যাচ চলাকালীন।
মন খারাপ কেরালা ব্লাস্টার্স সমর্থকদেরও। সহাল আব্দুল সামাদ-কে বিদায় দিতে চাইছে না কেরালা। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেরই আর্তি, ‘আমাদের ছেড়ে যেও না সহাল’।
তাঁকে কেরালা পাড়ি দিতে হবে ব্লাস্টার্সের হলুদ জার্সি গায়ে মাঠে নামতে, এটা যেমন কখনও ভাবতে পারেননি প্রীতম কোটাল , তেমনই হয়ত ভাবতে পারেননি তাঁর ভক্তরাও।
তাঁকে এক কথায় বলা যেতে পারে ভারতীয় ফুটবলের পোস্টার বয়। সেই সাহাল আব্দুল সামাদ-কে নিয়ে জল্পনার অবসার ঘটল শুক্রবার দুপুরে।
নন্দকুমার, বোরহা হেরেরার পরে এবার লাল-হলুদ জার্সিতে নিশু কুমার। কেরল থেকে এক মরশুমের জন্য লোনে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিলেন নিশু।অনেকদিন ধরেই নিশুকুমারের লাল-হলুদ জার্সিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এবার তাতেই সরকারি সিলমোহর পড়ল।
প্রীতমের বদলে নতুন ফুটবলার নিতে চায় মোহনবাগান কর্তৃপক্ষ। সূত্রের খবর, পরের মরশুমে কেরালা ব্লাস্টার্সের হলুদ জার্সিতে দেখা যেতে পারে প্রীতম কোটালকে।
ইশানকে নিতে জোর লড়াই হতে চলেছে কেরল ও মোহনবাগানের মধ্যে। দুই দলই চাইছে ভারতীয় ফরোয়ার্ডকে দলে নিতে। আর এই কারণে আসন্ন ট্রান্সফার উইন্ডোতে জোর লড়াই দেখা যেতে পারে।
