জামশদপুরের বিরুদ্ধে আটকে যাওয়াটা যে খুব ভাল ভাবে নেননি মোহনবাগান কোচ হোসে মোলিনা তা চেন্নাই ম্যাচের দল দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। এক সঙ্গে দলে এত পরিবর্তন করলেন তা হযতো দলের প্লেয়াররও বুঝতে পারেননি।
মহমেডানের সমস্যা আরও বাড়ল। এতদিন আগুনটা ধিকিধিকি জ্বলছিল কিন্তু মঙ্গলবার বিস্ফোরণটা ঘটাল ক্লাবের স্পনসর শ্রাচী গ্ৰুপ। জানিয়ে দেওয়া হল, তারা প্লেয়ারদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখেই কাজ করতে চেয়েছিল কিন্তু ক্লাব এবং মূল বিনিয়োগকারী সংস্থা তাদের কাজে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।...
রবিবার গোয়ার মাঠে হারের হ্যাটট্রিকের হাত থেকে বাঁচতে ক্লেটন সিলভাকে বেঞ্চে রেখে নবাগত বিদেশি রিচার্ড সেলিসকে প্রথম দলে নামিয়ে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজোঁ।
নতুন বছরে সমর্থকদের নতুন আলোর দিশা দেখাতে পারবেন বলে আশা করেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুজোন। কিন্তু নতুন বছরে দু’বার মাঠে নামা হয়ে গেলেও তাঁর দল এখনও জয়ের মুখ দেখতে পায়নি।
যে দাপট দেখিয়ে পর পর জিতে এক ধাক্কায় চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়ে উঠে এসেছে খালিদ জামিলের জামশেদপুর এফসি তাতে তাদের নিয়ে যে বাড়তি ভাবনা থাকবে মোহনবাগান টিম ম্যানেজমেন্টের সেটাই স্বাভাবিক।
এই চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধেই চেন্নাইয়ের মাটিতে অভিষেক আইএসএল-এ প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছিল মহামেডান এসসি। ১১ ম্যাচ পর গত ম্যাচে দ্বিতীয় জয়ের মুখ দেখে সাদা-কালো ব্রিগেড। তাও আবার বেঙ্গালুরু এফসির মতো শীর্ষস্থানীয় দলের বিরুদ্ধে।
রেফারি নিয়ে এই মুহূর্তে তরজা তুঙ্গে। বিশেষ করে গুয়াহাটি ডার্বির পর ফুঁসছে ইস্টবেঙ্গল। এই ম্যাচে ০-১ গোলে হেরে গিয়েছে তারা। সেখানে একটি হ্যান্ডবল ও সৌভিকের প্রথম হলুদ কার্ড নিয়ে ম্যাচের পরই প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন অস্কার ব্রুজোঁ।
আইএসএল ২০২৪-২৫-এর জোড়া ডাার্বি জয় হয়ে গিয়েছে মোহনবাগানের। কলকাতার ফুটবলে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের একে অপরের বিরুদ্ধে ম্যাচ সব সময়ই দুই দলের কাছে ফাইনালের মযার্দা পেয়ে এসেছে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে এই ‘ফাইনাল’ জয় সারা মোহনবাগানের।
ডার্বি নিয়ে বিতর্ক যেন কিছুতেই থামছে না। গত শনিবার গুয়াহাটিতে বসেছিল আইএসএল ২০২৪-২৫ মরসুমের ফিরতি ডার্বির আসর। প্রথম ডার্বি যেতে নিয়েছিল মোহনবাগান। দ্বিতীয় ডার্বিও জিতে নেয় মোহনবাগান। খেলার ফল ১-০।
শনিবার আইএসএলের ফিরতি মোহন-ইস্ট ডার্বিতে তাঁর দল যা খেলেছে, তাতে যে খুব খুশি মোহনবাগান এসজি-র কোচ হোসে মোলিনা, তা তাঁর কথা শুনে মনে হওয়ার কোনও উপায় নেই।
