Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক: খেলতে নামার আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রীতিমতো জীবন-মৃত্যুর সংগ্রাম কাটিয়ে জ্ঞ্যান ফিরল বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়ক তামিম ইকবালের। সোমবার সকালে টস করে ড্রেসিংরুমে ফেরার পরই অসুস্থ বোধ করতে থাকেন তামিম। বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু দ্রুত ভাল চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে উড়িয়ে আনা হয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। কিন্তু স্থানীয় হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ফিরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ওঠার সময় জ্ঞ্যান হারান তামিম। মুখ থেকে তখন গ্যাজলাও বেরচ্ছিল। সেই অবস্থায় তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত হবে না বলে আবার ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানেই যুদ্ধকালীন তৎপড়তায় শুরু হয় তাঁর চিকিৎসা। এঞ্জিওপ্লাস্টি করা হয়, বসানো হয় স্টেন্ট। তার দীর্ঘ সময় পর জ্ঞ্যান ফিরেছে তামিমের। তাতে কিছুটা স্বস্তি এলেও আপাতত তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। জানা যায়, পর পর দু’বার হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। তবে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় অঘটনের হাত থেকে রক্ষা পেলেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

প্রথম আলোর খবর অনুযায়ী, বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীস চৌধুরী জানিয়েছেন, জ্ঞ্যান ফেরার পর তামিম ইকবাল পরিবারের সদস্য ও চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে আপাতত ৪৮ ঘণ্টা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ২৪ ঘণ্টা। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলেন তামিমের পরিবারের সদস্যরা। ম্যাচ শেষে হাসপাতালে পৌঁছন তাঁর সতীর্থ মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজরা।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে এদিন খেলতে নেমেছিল মহমেডান ও শাইনপুকুর। সকালে বিকেএসপিতে টসও করেন দুই দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও রায়ান রাফসান। তখন ঘড়িতে সময় সকাল ন’টা। টসের আগে ওয়ার্ম আপ করার সময় থেকেই অসুস্থ বোধ করছিলেন। কিন্তু ভেবেছিলেন গ্যাসের সমস্যা হচ্ছে। সেটা বলেওছিলেন তিনি। টস করে ড্রেসিংরুমে ফিরে সেই অস্বস্তি আরও বেড়ে যায়। তখন মাঠে না নেমে তাঁকে বিশ্রাম করতে বলা হয়। কিন্তু আরও  অসুস্থ হয়ে পড়ায় আর ঝুঁকি নেয়নি তাঁর দলের কর্মকর্তারা। সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁকে ছাড়াই খেলা শুরু হয়।

একটা সময় এমন পরিস্থিতি হয়েছিল যখন কোনও কিছুতেই সাড়া দিচ্ছিলেন না তামিম। হাসপাতালের পথে পুরো সময়টাই তাঁর বুকে পাম্প করতে থাকেন মহমেডানের ট্রেনার ইয়াকুব চৌধুরী। হাসপাতালে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। জ্ঞ্যান ফেরার পর তাঁকে হাসপাতালের সিসিইউতে রাখা হয়েছে। সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তরফে কেপিজে হাসপাতাল ও বিকেএসপিকে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *