সহজ জয় চেন্নাইয়ের। ছবি সৌজন্যে ট্যুইটার
অলস্পোর্ট ডেস্কঃ বলে-ব্যাটে ম্যাচের শুরু থেকে দাপট দেখিয়ে মুম্বইকে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল চেন্নাই। আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১৩৯-৮ স্কোরে থেমে যায় মুম্বই। চেন্নাই সেই রান তুলে নিল ১৪ বল বাকি থাকতেই। সেই জয় এল মহেন্দ্র সিংহ ধোনির ব্যাটে। উইনিং শটটি তিনিই নিলেন।
মুম্বই ম্যাচটা হেরে গিয়েছিল তৃতীয় ওভারেই। পঞ্চম বলে অদ্ভুত শট মারতে গিয়ে আউট হলেন রোহিত শর্মা। নেহাল ওয়াধেরা বাদে মিডল অর্ডারের কোনও ব্যাটারই ভরসা দিতে পারলেন না। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান গ্রিন। তুষারের বলে বোল্ড হন। বাধ্য হয়ে নামতে হয় রোহিতকে। কিন্তু জুটি গড়তে পারেননি। দ্বিতীয় ওভারে দীপক চাহার তুলে নেন ঈশান কিশনকে। অনায়াসে ধরে খেলতে পারতেন ঈশান। অতিরিক্ত আগ্রাসী হতে গিয়ে উইকেট খোয়ালেন তিনি।
ছন্দে থাকা সূর্যকুমার যাদবের কাছে সুযোগ ছিল টানা তৃতীয় অর্ধশতরানের। শুরুটাও ভালই করেছিলেন। কিন্তু ধরে রাখতে পারলেন না। জাডেজার বিরুদ্ধে উইকেট ছেড়ে চালাতে গিয়েছিলেন। বলের লাইন মিস্ করে বোল্ড। দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রিস্টান স্টাবস খুব বেশি ম্যাচে খেলার সুযোদ পাচ্ছেন না। এ দিন পেলেন। নেহালের সঙ্গে বেশ কিছু ক্ষণ জুটি বেধে ধস সামলালেন। কিন্তু নায়ক হয়ে ওঠার মতো ইনিংস পাওয়া গেল না তাঁর কাছ থেকেও।
ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই মুম্বইয়ের উপর দাপট শুরু করে চেন্নাই। আর্শাদ খানের ওভার থেকে ওঠে ২০। চার ওভারে ৪৬ রান তুলে ফেলে তারা। রোহিত বাধ্য হন স্পিনারদের আনতে। প্রথম ওভারেই সাফল্য। পীযূষ চাওলার প্রথম বলে ফিরে যান রুতুরাজ গায়কোয়াড়। তাতেও চেন্নাইয়ের রান তোলার গতি কমেনি। সদ্য বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে সুযোগ পাওয়া অজিঙ্ক রাহানে নেমেই আগ্রাসী ভঙ্গিতে খেলতে শুরু করেন। তাঁকেও তুলে নেন চাওলা। রাহানেকে এলবিডব্লিউ করেন তিনি। অম্বাতি রায়ডুও আহামরি খেলতে পারেননি। কিন্তু শুরু থেকে ধীরস্থির ভঙ্গিতে খেলছিলেন ডেভন কনওয়ে। দলের প্রয়োজনে যেমনটা দরকার তেমনই খেলছিলেন তিনি। রান রেট ভাল থাকায় অহেতুক কোনও ঝুঁকি নিতে যাননি।
