Cart Total Items (0)

Cart

All Sports India

সুচরিতা সেন চৌধুরী: রাত পোহালেই কলকাতার সামনে বেঙ্গালুরু। বা বলা যায় আরও একবার গৌতম গম্ভীর বনাম বিরাট কোহলি। আইপিএল ২০২৪-এর দ্বিতীয় ম্যাচেই বেঙ্গালুরুর মাটিতে তাদের হারিয়ে এসেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। সাত ম্যাচে বেঙ্গালুরু এখনও পর্যন্ত একটি ম্যাচই জিতেছে। অন্যদিকে কলকাতা ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচে রাজস্থানের বিরুদ্ধে হারের মুখ দেখেছে। সব মিলে ইডেন গার্ডেন্সে রবিবার দুপুরের ম্যাচ ঘিরে টান টান উত্তেজনায় ফুটছে ক্রিকেটপ্রেমী থেকে দুই দলও।  তবে তার আগেই ইডেনের মাঠে আরও একবার তৈরি হল সৌভ্রাতৃত্বের দৃশ্য।

যে গম্ভীর-বিরাট ঝামেলা ক্রিকেট বিশ্বের কাছে চর্চার বিষয় থেকে গত এক বছরে তা এখন অতীত। বরং প্রথম ম্যাচেই দুরত্ব মিটিয়ে নিয়েছিলেন দুই তারকা ক্রিকেটার। দ্বিতীয় ম্যাচে দেখা গেল দু’জনকে জমিয়ে গল্প করতে। মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় কথা বললেন বিরাট কোহলি ও গৌতম গম্ভীর। তার পর যে যার অনুশীলনে মন দিলেন ঠিকই কিন্তু মনে হয়তো চ্যালেঞ্জটাও ছুঁড়ে দিলেন একে অপরকে। খেলার সময়টুকু কেউ কারও বন্ধু নয়।

শনিবার অনুশীলনে নামার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের বৈভব অরোরা। তিনি মেনে নিলেন রাজস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে অবশ্যই দলের তরফে কিছুটা ফাক থেকে গিয়েছে যে কারণে তাঁদের হারতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘শেষ ম্যাচ স্লগ ওভারে আমরা খুব একটা ভাল করতে পারিনি। কিন্তু লখনউয়ের সঙ্গে আমরা ভালই করেছিলাম। আমাদের আরও ভাল করে পরিকল্পনা করতে হবে। কিছু এক্সিকিউশন আমরা সঠিকভাবে করতে পারিনি। সেটা যখন পরিকল্পনা মাফিক করব তখন আরও বলবে।’’

এক কথায় রাজস্থান ম্যাচের ভুল শুধরে বেঙ্গালুরু ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিতই দিয়ে রাখলেন বৈভব। যদিও আগের ম্যাচে তিনি খেলেননি। তবে এই ম্যাচে ফিরতে পারেন দলে। উল্টোদিকে যখন বিরাট কোহলি তখন বাড়তি পরিকল্পনা তো থাকবেই কেকেআর বোলারদের? বৈভব অবশ্য বলছেন, ‘‘বিরাট বলে আলাদা কিছু নয়, যে কোনও ব্যাটারের বিরুদ্ধেই পরিকল্পনা থাকে। একইভাবে তার জন্যও পরিকল্পনা থাকবে। তার শক্তি, তার দুর্বলতা অনুযায়ী আমরা পরিকল্পনা করব। কোথায় বল রাখতে তাকে দ্রুত আউট করা যাবে সেটাই সব থেকে বড় লক্ষ্য।’’

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু দলগতভাবে মোটেও ভাল জায়গায় নেই। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে দারুণ জায়গায় রয়েছেন বিরাট কোহলি। তাঁকে আউট করতে পারলে ম্যাচ অনেকটাই দখলে চলে আসে প্রতিপক্ষের। কলকাতারও সেটাই লক্ষ্য। তবে দলের বোলারদের নিয়েই বেশি চিন্তাভাবনা এখন টিম ম্যানেজমেন্টের। তাই অনুশীলনের ফাঁকে বোলারদের নিয়ে চলল দীর্ঘ টিম মিটিং। রাজস্থানের বিরুদ্ধে ২২৩ রান করার পরও যে হারতে হয়েছে বোলারদের দুর্বল বোলিংয়ের জন্য। তবে কারও দুর্বলতা নিয়ে আলাদা করে ভাবতে রাজি নন তিনি।

মিচেল স্টার্কের বোলিং ব্যর্থতা নিয়ে বৈভব বলছিলেন, ‘‘সব দিন সবার ঠিক যায় না। সে কারণেই দলে একাধিক বোলার থাকে। একজন না পারলে অন্য কেউ পারবে। এর জন্য আলাদা কোনও চাপ নেই। যেদিন আমি পারব না সেদিন অন্য কেউ পারবে।’’ তবে এই আইপিএল-এ অনেকবেশি রান হওয়ার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি। বলছেন, ‘‘গত কয়েক বছরে দেখবেন ক্রিকেট অনেকটাই বদলেছে। প্রচুর রান হচ্ছে। ২২০-র উপর রান করলে তা ধরে রাখার চেষ্টা করা যায়। যেটা আমরা হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে পেরেছিলাম। রাজস্থানের বিরুদ্ধে কিছু ভুলের জন্য পারিনি। সেটা শুধরেই আমরা পরের ম্যাচে নামব।’’

কলকাতার এই আবহাওয়ায় খেলাটা যে কঠিন সেটাও মেনে নিলেন। কিন্তু খেলতে যখন হবে তখন সেই সমস্যাকেও পিছনে ফেলে খেলায় মন দিতে হবে। বৈভব বলছিলেন, ‘‘এই আবহাওয়া তো একটা বড় সমস্যা তো বটেই। কিন্তু সেটা নিয়ে ভেবে কিছু করার নেই। আমরা দুপুরে লখনউয়ের বিরুদ্ধে খেলেছি। যেদিন রাজস্থানের বিরুদ্ধে খেলেছিলাম সেদিনও খুব গরম ছিল। কিন্তু এটাই আমাদের কাজ সমস্যাগুলোকে ছাপিয়ে যাওয়া। নিজেদের সেরাটা দেওয়া।’’

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *