Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

সুচরিতা সেন চৌধুরী: সোয়া দু’ঘণ্টা টানা বৃষ্টির পর রাশ টানল প্রকৃতি। বৃষ্টি কমতেই ইডেন জুড়ে শুরু হয়ে যায় তৎপড়তা। পুরো মাঠ ঢাকা থাকায় বৃষ্টির জল জমে গিয়েছিলেন কভারের উপর। প্রথমে মাঠ কর্মীরা কভারের উপরের জল পরিষ্কার করেন। তার পর ধিরে ধিরে সরানো হয় মাঠের কভার। সরে যায় পিচ কভারও। তাতেই স্বস্তি ফেরে দুই ড্রেসিংরুম-সহ গ্যালারিতে। চলতি আইপিএল মরসুমে কলকাতায় এটাই শেষ ম্যাচ। যে কারণে টিকিটের চাহিদা ছিল তুঙ্গে। প্রাথমিকভাবে ছাদহীন গ্যালারির অংশটা ফাঁকাই ছিল। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছিল ভরেনি গ্যালারি কিন্তু বৃষ্টি থামতেই ভুল বোঝা গেল। এই আবহাওয়ায়ও কলকাতার ক্রিকেটপ্রেমীরা গ্যালারি ভরিয়ে দিয়েছিলেন।

শেষ পর্যন্ত রাত ন’টায় টস হওয়ার কথা ঘোষণা হল। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং কররা সিদ্ধান্ত নিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ড্যে। খেলা শুরু হল হল রাত ৯.১৫ মিনিটে। ওভার কমিয়ে করে দেওয়া হল ১৬। পাওয়ার প্লে পাঁচ ওভারের। নির্ধারিত সময়ের ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পর এদিন খেলা শুরু হল। ম্যাচ ১৬ ওভারের হয়ে যাওয়ায় একজন বোলার চার ওভার বল করতে পারবেন আর চারজন বোলার তিন ওভার করে বল করতে পারবেন।

বৃষ্টি কমলে যদিও শুরু হয় প্রবল  হাওয়া। যার ফল গ্রাউন্ড কভার সরাতেও সমস্যা হচ্ছিল মাঠকর্মীদের। তবে এই মুহূর্তে ইডেনের যা ব্যবস্থা তাতে বৃষ্টি কমলেই খেলা করিয়ে দেওয়ার মতো পরিকাঠামো রয়েছে। ১০ মিনিটের মধ্যে মাঠের কভার পুরো সরিয়ে ফেলা হয়। যদিও খেলা ৮.৩০-এর মধ্যে শুরু করা সম্ভব হয়নি। যে সময় শুরু হলে পুরো ওভার খেলা হতে পারত।

৮.২০ নাগাদ শুরু হয় মাঠ শুকনোর কাজ। এক সঙ্গে চারটি সুপার সপার দিয়ে দ্রুত মাঠ শুকিয়ে ফেলা হয়। তার মধ্যেই সাইড লাইনে গা ঘামাতে দেখা যায় দুই দলের ক্রিকেটারদের। বৃষ্টির সময় রোহিত শর্মাকে দীর্ঘক্ষণ দেখা যায় কেকেআর শিবিরেই বসে থাকতে। সেখানে জমিয়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন তিনি। লাইভ ক্যামেরায় বার বার ধরা পড়ে যায় সেই দৃশ্য। একদিন আগেই রোহিত আর কেকেআর ব্যাটিং কোচ অভিষেক নায়ারের কথপোকথন ভাইরাল হয়েছিল। তাহলে কি পরের মরসুমে কেকেআর-এ রোহিত যুগ? তা সময়ই বলবে। কিন্তু এই মরসুমে কলকাতার শেষ ম্যাচ শেষ হতে মধ্যরাত পেরিয়ে যাবে।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *