অলস্পোর্ট ডেস্ক: বাংলাদেশকে ৪১ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে গেলেও ভারতীয় ক্রিকেট দলকে ফিল্ডিংয়ের আলগা ভাব, অসংখ্য ক্যাচ ফসকানোর জন্য প্রশংসার পাশাপাশি সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। সূর্যকুমার যাদব ও তাঁর দল টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত ১২ টা সহজ ক্যাচ ফেলেছে, যার মধ্যে শেষ ২ ম্যাচেই ৯টা। এটা কোনওমতেই অভিপ্রেত নয়। কারণ এর প্রতিপক্ষ এতদিন ফায়দা তুলতে পারেনি, তার মানে পরে পারবে না, এমন তো নাও হতে পারে।
ভারতীয় দলের স্পিনার বরুণ চক্রবর্থী, যিনি নিজেও এই দোষে দোষী, তিনিও মনে করেন, এই ধরনের ফিল্ডিংয়ের আলগা মনোভাবের কোনও অজুহাত চলে না। বলেন, ‘ এই পর্যায়ের ম্যাচে ক্যাচ ফেলাটা মোটেই ভাল কাজ না। বিশেষ করে যখন আমরা ফাইনাল খেলব। ওই ম্যাচে ক্যাচ ফেললে ম্যাচ বেরিয়ে যাওয়া অসম্ভব নয়। তাই আমাদের ফিল্ডিংয়ে আরও মনঃসংযোগ করতে হবে। যত্নবান হওয়া জরুরি। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের আলোর পরিবেশ কখনও সখনও চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। অসুবিধায় ফেলে। কিন্তু সেটা কোনও অজুহাত হতে পারে না ক্যাচ ফেলার। কারণ ইতিমধ্যেই আমরা এখানে একাধিক ম্যাচ খেলে ফেলেছি।’
বরুণ মনে করেন ভারতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপের কড়া তিরষ্কারের মুখে তাঁদের পড়তে হবে। বলেন, ‘ আমাদের এই দলটা বিশ্বকাপ খেলার লক্ষ্য ও জেতা নিয়ে তৈরি হয়েছে। তাই আমাদের ফিল্ডিংয়ের মানটা সে পর্যায়ের হওয়া উচিত। এতদিন ফিল্ডিং কোচ আমাদের কিছু বলেননি। তবে বাংলাদেশ ম্যাচ ক্যাচ ফেলার প্রদর্শনীর পর আমাদের কপালে দুঃখ আছে। ফিল্ডিং কোচ আমাদের ছেড়ে কথা বলবেন না।’
বাংলাদেশ ম্যাচের পিচ কেমন ছিল, এই প্রশ্নে বরুণের উত্তর, ‘ সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ও অন্যান্য ম্যাচের তুলনায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে খেলা পিচ অনেক বেশি সহায়ক ছিল। খুব বেশি গতিসম্পন্ন ছিল না, বরং ব্যাটে বলে হওয়ার মতো উপযুক্ত ছিল। বোলারদেরও সাহায্য করেছে।
নিজের বোলিং নিয়ে বরুণের বক্তব্য, পাওয়ার প্লেতে বা ঠিক তার পরের ওভারগুলোতে জায়গামতো বল করাটা সবসময় লক্ষ্য থাকে। ওইসময় উইকেট তুলে নেওয়া উপযুক্ত সময়। উইকেট পাওয়ার মতো একটা ভাল বল করার চেষ্টা চালাই। ১০ ওভারের পর ফিল্ডিং ছড়িয়ে গেলে উইকেটের পেস কমে গেলে, প্রতিপক্ষ ব্যাটারের রান তোলা চেক করাটা ততটা কঠিন হয় না।’
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
