Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক: এই প্রথম আইএসএলে টানা দু’টি ম্যাচ জিতল ইস্টবেঙ্গল, যা নিঃসন্দেহে দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে। গত ম্যাচে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে দাপুটে জয় পেয়েছিল তারা। রবিবার ঘরের মাঠে বেঙ্গালুরু এফসি-র বিরুদ্ধে যে জয় পেল তারা, তাকে কষ্টার্জিত জয়ই বলা উচিত। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে এই জয় পেতে হয়েছে তাদের। দল যে সেরা পারফরম্যান্স দেখাতে পারেনি, তা স্বীকার করেই নিয়েছেন তাদের কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত । কিন্তু এই সাফল্যে বেশ খুশি তিনি। বিশেষ করে সমর্থকদের কথা ভেবে তিনি অনেক বেশি উত্তেজিত।

রবিবার রাতে বেঙ্গালুরু এফসি-কে ২-১-এ হারানোর পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “ছেলেরা যে পরিশ্রম করেছে এই ম্যাচে, তাতে আমি খুবই খুশি। সত্যি বলতে, খুব ভাল ফুটবল যে খেলতে পেরেছি আমরা, তা নয়। বেঙ্গালুরু এফসি আমাদের চেয়ে ভাল খেলেছে। তবে ওরা খুব একটা ভাল সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরাই তিন পয়েন্ট পেয়েছি। আমি খুবই খুশি। বিশেষ করে সমর্থকদের জন্য। মরশুমের শেষ হোম ম্যাচ এ ভাবে শেষ করতে পারার জন্য। সারা মরশুম অনেক লড়াই করার পর শেষ পর্যন্ত সমর্থকেরা তাদের প্রিয় দলকে নিয়ে গর্ব করতে পারবে, সে জন্য। তারা আমাদের অনেক সাহায্য করেছে। আমাদের সঙ্গে সব জায়গায় ঘুরেছে। আমরা যে তাদের কিছু প্রতিদান দিতে পারলাম, সে জন্য”।

রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে সল ক্রেসপো ও ক্লেটন সিলভার গোলে ম্যাচ জিতে নেয় লাল-হলুদ বাহিনী। সুনীল ছেত্রী সমতা আনলেও শেষরক্ষা করতে পারেননি তিনি। এই জয়ের ফলে ২১ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলের ছ’নম্বরে উঠে এল কলকাতার দল। শেষ ম্যাচে তারা পাঞ্জাব এফসি-কে হারাতে পারলে ছ’নম্বরে থেকে তাদের লিগ শেষ করার সম্ভাবনা থাকবে। এই দৌড়ে আপাতত তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী চেন্নাইন এফসি ও নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি, যারা একে অপরের মুখোমুখি হতে চলেছে মঙ্গলবার। এই ম্যাচে যদি ড্র হয় এবং ইস্টবেঙ্গল যদি শেষ ম্যাচে জেতে, তা হলেও তাদের ওই দুই দলের শেষ ম্যাচগুলির দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে লাল-হলুদ বাহিনীকে। 

ফল যাই হোক এবং লিগের শেষে তাদের পরিণতি যাই হোক না কেন, আগামী মরশুমে যে দল দারুন ভাবে তৈরি হয়েই মাঠে নামতে পারবে এই ব্যাপারে নিশ্চিত কুয়াদ্রাত। দলের তরুণ তূর্কিদের জন্যই এই আশা করছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এ দিন বলেন, “আমন আর সায়নরা আজ কার বিরুদ্ধে খেলছিল ভাবুন। সুনীল ছেত্রী, যে গত কুড়ি বছর ধরে দেশের সেরা লিগে খেলে এসেছে। এই ছেলেরা কলকাতা লিগে ও ডেভেলপমেন্ট লিগে খেলেছে মাত্র। হঠাৎ একদিন তাদের ২০ হাজার বা ৫০ হাজার দর্শকের সামনে খেলতে হচ্ছে। কোনও দিন খেলতে হয়েছে মোহনবাগান এসজি-র বিরুদ্ধে। ব্যাপারটা সোজা নয়। ওদের পেশীবহুল চেহারাও নেই। সবে তৈরি হচ্ছে। কিন্ত ওদের বিশাল কলিজা আছে। ওরা পেশাদার হতে চায়। এ ছাড়াও ওদের শক্তি আছে, গতি আছে। যতবার মাঠে নেমেছে, ততবার প্রভাব বিস্তার করেছে। সে জন্য আমি খুশি”। 

এই তরুণ তূর্কিদের নিয়েই ভবিষ্যতের দল গড়তে চান আইএসএলজয়ী কোচ। বলেন, “এদের আমরা ভবিষ্যতে খেলাতে চাই। মহীতোষ (রায়) শ্যামলদেরও (বেসরা) আমি সুযোগ দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এই ধরনের তীব্র ম্যাচে ওদের কী করে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামাব বলুন। প্রত্যেকেই যথেষ্ট দায়িত্ব নিয়ে খেলেছে। এ বার দেখার শেষ ম্যাচে কী হয়”।  

(লেখা আইএসএল ওয়েব সাইট থেকে)

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *