Cart Total Items (0)

Cart

All Sports
আইএসএল ২০২৩-২৪

অলস্পোর্ট ডেস্ক: যে ম্যাচে জিতলে তারা সেরা ছয়ের দরজায় কড়া নাড়তে পারতেন, সেই ম্যাচে হারতে হল তাঁর দলকে। তাও ৮০ মিনিট এগিয়ে থাকার পর শেষ ১৬ মিনিটের মধ্যে (বাড়তি সময়-সহ) জোড়া গোল খেয়ে। ইস্টবেঙ্গলের এই অপ্রত্যাশিত হারের পরেও অবশ্য দলের ফুটবলারদের পাশেই রয়েছেন তাদের স্প্যানিশ কোচ কার্লস কুয়াদ্রাত।

ম্যাচের শেষ ১৬ মিনিটের মধ্যে জামশেদপুর এফসি দু’টি গোল করার আগেই ব্যবধান বাড়ানোর একাধিক সহজ সুযোগ পায় লাল-হলুদ বাহিনী। সেই সুযোগগুলি হাতছাড়া করার মাশুলই এ দিন দিতে হল কুয়াদ্রাতের দলকে। ১-২-এ হারের পর কুয়াদ্রাত সাংবাদিকদের বলেন, “আমি এই ধরনের ফুটবল পছন্দ করি না। আসলে এই দুই দলের মধ্য তেমন কোনও ফারাক নেই। তাই যে কোনও ফলই হতে পারত। আমাদের ছেলেরা আজ যথেষ্ট ভাল ফুটবল খেলেছে। কিন্তু অনেক গোলের সুযোগ নষ্ট করেছে। সে জন্যই এমন হল। আমরা ম্যাচের পরিকল্পনা অনুযায়ীই খেলছিলাম। আমাদের দল বেশ ভাল খেলেছে। দলের জন্য ছেলেরা সব কিছুই করেছে। তাই ওদের পারফরম্যান্সে আমি খুশি”।

বৃহস্পতিবারের এই হারের ফলে ইস্টবেঙ্গল আট নম্বরেই রয়ে গেল। সাত নম্বরে থাকা নর্থইস্টের চেয়ে চার পয়েন্ট পিছিয়ে তারা। যদিও একটি ম্যাচ বেশি খেলেছে নর্থইস্ট। আর ছ’নম্বর জামশেদপুর এফসি তাদের চেয়ে পাঁচ পয়েন্ট এগিয়ে। যদিও জামশেদপুর তাদের চেয়ে দু’টি ম্যাচ বেশি খেলে ফেলেছে। ফলে ইস্টবেঙ্গলের সেরা ছয়ে প্রবেশ করার সম্ভাবনা এখনও রয়েছে।

ইস্টবেঙ্গল কোচও এই ব্যাপারে একমত এবং তাঁর ধারণা, দল উন্নতি করলে, তাঁরা আরও ভাল খেললে তাদের সেরা ছয়ে থাকা সম্ভব। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অবশ্যই আমাদের সেরা ছয়ে যাওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা এখনও আছে। তবে সে জন্য আমাদের আরও ভাল খেলতে হবে, প্রতিপক্ষ হিসেবে আরও কঠিন হয়ে উঠতে হবে। কঠিন ম্যাচগুলো জিততে হবে। যেমন গতকাল নর্থইস্ট জিতল গোয়ার বিরুদ্ধে। এর থেকেই বোঝা যায় এই লিগে যে কোনও দল যে কোনও প্রতিপক্ষকে হারাতে পারে। আমাদেরও সে রকম জয় পেতে হবে”।

তবে কুয়াদ্রাত মেনে নিয়েছেন, তারা দ্বিতীয় গোলটি করতে না পারায় প্রতিপক্ষ আরও মরিয়া হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, “যখন কোনও দল এগিয়ে থাকে, তখন তাদের প্রতিপক্ষ যে মরিয়া হয়ে উঠবেই, এই নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু দুই দলের মানে, শক্তিতে ফারাক না থাকলে অনেক কিছুই হতে পারে। আমরা ওই সময় দ্বিতীয় গোল করতে পারিনি, সেই জন্যই ম্যাচে যে কোনও ফল হতে পারত। সেটাই হয়েছে”।

প্রথমার্ধের বাড়তি সময়ে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ইস্টবেঙ্গলের তারকা উইঙ্গার নন্দকুমার শেখর। দ্বিতীয়ার্ধে জামশেদপুর সমতা আনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও ইস্টবেঙ্গল সমানে ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যায় এবং একাধিক সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে। এই ব্যর্থতারই খেসারত তাদের দিতে হয় ম্যাচের শেষ দিকে জাপানি মিডফিল্ডার রে তাচিকাওয়া ও স্টপেজ টাইমের শেষ মিনিটে ফরাসি মিডফিল্ডার জেরেমি মানজোরোর গোলে।

গোলের একাধিক সহজ সুযোগ হাতছাড়া করা নিয়ে লাল-হলুদ কোচ বলেন, “ফুটবল এ রকমই। ফুটবলে সবাই সব সুযোগ থেকে গোল করতে পারে না। বিষ্ণুর যে হেডটা পোস্টে গিয়ে লাগল, তার জন্য কাকে দোষ দেবেন? ওই বলটা গোলে ঢুকলে পুরো ছবিটাই বদলে যেত”।

(লেখা আইএসএল ওয়েব সাইট থেকে)

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *