অলস্পোর্ট ডেস্ক: মিনি আইএসএল-এ জয় দিয়ে শুরু করেছে কলকাতার দল মোহনবাগান। মাঝে একদিন, তার পরই মরসুমের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে ইস্টবেঙ্গল। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বির জয় বাড়তি প্রেরণা দিক না দিক দল নিয়ে আশাবাদী কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। শুধু আশাবাদী নন, বরং বলা যায় উচ্ছ্বসিত। নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে আইএসএল-এর প্রথম ম্যাচ খেলতে নামার আগে তাঁর মুখে বার বারই উঠে এল তাঁর পছন্দের টিমের কথা। যা গতমরসুমে পাননি বলেই দাবি করলেন তিনি। এটাও যে গতমরসুমে অস্কার মরসুম শুরু হয়ে যাওয়ার পর দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন। যে কারণে নিজের মনের মতো দল গড়তে পারেননি। তবে এবার ক্লাবের স্পনসর সংস্থার তৎপড়তায় যে তিনি এবং থাংবোই সিংতো মনের মতো দল গড়তে পেরেছেন তা বার বারই শোনা গেল তাঁর গলায়।
সুপার কাপের পর কেটে গিয়েছে প্রায় দুই মাস। প্রতিযোগিতামূলক খেলার বাইরে রয়েছে দলগুলো। ব্যতিক্রম নয় ইস্টবেঙ্গলও। তবে নিয়মিত অনুশীলন করে আইএসএল-এর জন্য যে প্রস্তুত তাঁর দল তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই অস্কারের। বলছিলেন, ‘‘আগামীকাল আমাদের সামনে কঠিন লড়াই। তবে এই বছর আমরা ভালো দল তৈরি করেছি গতবারের তুলনায়। গত বছর যখন আমি যোগ দিয়েছিলাম তখন মরসুম শুরু হয়ে গিয়েছিল। আমার জন্য দলের মধ্যে ভারসাম্যের অভাব ছিল। এবার অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে। ইমামি ঠিক, ভুলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুরোপুরি পেশাদার রাস্তায় হেঁটে।’’
যে পেশাদারিত্বের সঙ্গে একটি পেশাদার ফুটবল ক্লাবের দল নির্বাচন হয় এবার সেভাবেই ইস্টবেঙ্গলের দল নির্বাচন হয়েছে বলে দাবি অস্কার ব্রুজোঁর। হেড অফ ফুটবল অপারেশন্স থাংবোই সিংতোকে সঙ্গে নিয়েই সম্পূর্ণ দল নির্বাচন করেছেন হেড কোচ অস্কার। বলছিলেন, ‘‘আমি আর থাংবোই দিন-রান জেগে এই দল তৈরির জন্য কাজ করেছি। আমাদের সত্যিটা বুঝতে হবে। আমরা একটা ঐতিহাসিক ক্লাব। আমাদের ফ্যানরা শুধুমাত্র সাফল্য বোঝে। গত মরসুমে আমরা মূল প্লেয়ারদের অনেক সময় পাইনি। এবারও এখনও কেভিন সিবলেকে শুরু থেকে পাওয়া যাবে না। আগামী দুই সপ্তাহেল মধ্যে ও ভারতে ফিরতে পারে।’’
অন্যদিকে ষষ্ঠ বিদেশি নিয়ে এখনও কিছু বলতে নারাজ কোচ। জানিয়ে দিলেন, ক্লাবের পক্ষ থেকে যতক্ষণ না তাঁকে কিছু জানানো হচ্ছে এই বিষয়ে ততক্ষণ তিনি তা নিয়ে কিছু জানাতে পারবেন না। তবে ফিফা ব্রেকের আগে সিবলেকে দেখে নিতে চাইছেন তিনি। এদিন কোচের সঙ্গে প্রি-ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন মহম্মদ রশিদ। ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে নামার আগে উচ্ছ্বসিত এই প্যালেস্তেনিয়ান ফুটবলার। তবে সাবধানীও। তাড়াহুড়ো করতে একদমই নারাজ তিনি।
বলছিলেন, ‘‘আমি খুব খুশি, আমি এখানে রয়েছিল। পুরো দল খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। তবে আমার লক্ষ্য একটা একটা করে ম্যাচ ধরে ধরে এগনো।’’ এর সঙ্গে অবশ্য দীর্ঘদিন পর খেলতে নামা ও আইএসএল নিয়ে ডামাডোলের প্রসঙ্গও উঠে এল তাঁর সামনে। তবে আত্মবিশ্বাসী তিনি। কঠিন হলেও দলের উপর আস্থা রয়েছে রশিদের। বলছিলেন, ‘‘দলে সবাই পেশাদার ফুটবলার। আর আমাদের মোটিভেট করার জন্য সমর্থকরা রয়েছে। তবে অনেকটা সময় না খেলা শুধু প্লেয়ার নয় কোচের জন্যও কঠিন। আমি মানছি এটা কঠিন তবে খেলা শুরু হচ্ছে সেটা ভালো। প্লেয়াররা ট্রফির জন্য মুখিয়ে রয়েছে। সমর্থকদের অনুরোধ করব, সবাই খুশি মনে মাঠে আসুন, আমাদের সমর্থন করুন।’’
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
