Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

সুচরিতা সেন চৌধুরী, ভুবনেশ্বর: তাঁর মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে যখন নাম ঘোষণা হয় তখন অনেক রকমের প্রশ্নের উত্থান হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে যেটা সব থেকে বেশি উঠেছিল তা হল, হাবাসকে এনে কি ফেরান্দোকে বার্তা দিয়ে রাখা? কয়েক মাসের মধ্যেই সেই জল্পনা সত্যি হয়ে গেল। আইএসএল, ডুরান্ড কাপ জেতা কোচকে বিদায় নিতে হল পর পর মাত্র তিন ম্যাচ হারার পরই। হাবাসের নাম ঘোষণা হল হেড কোচ হিসেবে। অনেক টালবাহানার পর ভিসা সমস্যা মিটিয়ে ডার্বির আগেই শহরে চলে এলেন এটিকের সফলতম কোচ। পরের দিনই যোগ দিলেন ভুবনেশ্বরে দলের সঙ্গে। তবে বেঞ্চে বসা হচ্ছে না তাঁর।

ডার্বির আগের রাতে অনুশীলনে নামার আগে অবশ্য হাবাসের কথায় কিছুটা ধোঁয়াশা থেকে গেল। তিনি যে কলিঙ্গ সুপার কাপের ডার্বিতে বেঞ্চে কোচ হিসেবে বসতে পারবেন না তা নিয়ে নিজেই স্পষ্ট নন। জিজ্ঞেস করায় বললেন, “আমার ঠিক ধারণা নেই। এটা আমার হাতে নেই।” তবে মাঠে নেমে অনুশীলন করানোর সময় রতিমতো চনমনে দেখাল তাঁকে। হতেই পারে আইএসএল ডার্বি থেকেই নতুন অধ্যায় শুরু করবেন তিনি। যাই হোক না কেন ডার্বি দিয়েই যে কলকাতার পুরনো ক্লাবে তাঁর নতুন যাত্রা শুরু হবে তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।

তবে পুরনো ক্লাবে ফিরতে পেরে খুশি হাবাস। শুধু সামনে এটিকের জায়গায় পিছনে সুপার জায়ান্ট যুক্ত হয়েছে। গাড়ি থেকে নেমে ড্রেসিংরুমে যেতে যেতে হাবাস বলছিলেন, “পুরনো জায়গায় ফিরতে পেরে আমি খুশি। এখানে তিন-চারজনকে চিনি। কাজ করতে অসুবিধে হবে না।” আগের থেকে অনেক নমনীয় হয়েছেন তিনি। আগে যেমন সব সময়ই খুব কড়া ব্যবহার পাওয়া যেত তাঁর থেকে অন্তত এদিন তেমনটা দেখা গেল না। কিছুটা বয়সের ছাপও পড়েছে তাঁর হাঁটাচলা, বডি ল্যাঙ্গুয়েজে।

এদিকে, সুপার কাপের দ্বিতীয় ম্যাচের পরে সাংবাদিক সম্মেলনে এসে রীতিমতো ভারতীয় রেফারিং নিয়ে বিস্তর সমালোচনা করেছিলে। শুধু তাই নয় নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। শুধু নিজের ম্যাচই নয়, মোহনবাগান-হায়দরাবাদ ম্যাচের রেফারিং নিয়েও প্রচন্ড প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন তিনি। বলছিলেন, “ভারতীয় রেফারিংয়ের মান না বাড়ে ফুটবলের কোনও উন্নতি হবে না। এটা কোনও রেফারিং হচ্ছে।” হায়দরাবাদ দলের অধিনায়ককে পর পর হলুদ কার্ড দেখিয়ে লাল কার্ড দেখানোর জন্যও সমালোচনা করেন তিনি। বলেছিলেন, “এমনটা বিশ্বের কোথাও হয় না। না এশিয়ান ফুটবলে না ইউরোপিয়ান ফুটবলে, আমি কোথাও এমন দেখিনি।”

ডার্বির আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে অবশ্য রেফারিং নিয়ে রীতিমতো সংযত ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। ডার্বির মতো ম্যাচে রেফারিং তাঁকে ভাবাচ্ছে কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “এই নিয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব কিনা। ম্যাচের আগে এই নিয়ে কথা বলে রেফারিদের উপর চাপ সৃষ্টি হোক সেটা আমি চাই না। তারা তাদের কাজ করুক।” তবে তাঁর মনের কোণায় যে রেফারিং ভাবাচ্ছে না তেনটা নয়।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *