অলস্পোর্ট ডেস্ক: বৃহস্পতিবার এএফসি এশিয়ান কাপ-এ প্রভাবশালী উজবেকিস্তানের কাছে ০-৩ গোলে হেরে গেল ভারতীয় ফুটবল দল। এটি গ্রুপ বি-তে ভারতের টানা দ্বিতীয় পরাজয়। অস্ট্রেলিয়ার কাছে ০-২ হার দিয়ে এএফসি এশিয়ান কাপ যাত্রা শুরু করেছিল ভারত, যেখানে তাদের দুরন্ত লড়াই প্রশংসা কুড়িয়েছিল। আহমেদ বিন আলিষ স্টেডিয়ামে মধ্য এশিয়ার দেশের বিরুদ্ধে, ফিফা বিশ্বকাপের নিয়মিত খেলা দলের বিরুদ্ধে ভারতের পারফরম্যান্স প্রত্যাশার থেকে অনেক দূরে ছিল।
উজবেকিস্তান অ্যাবোসবেক ফয়জুল্লায়েভ (৪ মিনিট), ইগর সের্গেভ (১৮ মিনিট) এবং নাসরুল্লায়েভ (৪৫+৩ মিনিট) গোল করে তাদের টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে সিরিয়ার কাছে হারের পর প্রতিযোগিতায় তাদের প্রথম জয় তুলে নিল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাদের প্রতিশ্রুতিশীল প্রদর্শনের মাত্র কয়েক দিন পরে একটি ইতিবাচক ফুটবল শুরু করার আশা থাকলেও, ভারত প্রথম থেকেই ব্যাকফুটে থেকে শুরু করে এবং শুরুতেই গোল হজম করে নেয় ।
ভারতীয় পেনাল্টি এলাকার প্রান্তে নেওয়া নাসরুল্লায়েভের ক্রস থেকে শুকুরভ হেড করার পর একটি সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা ফয়জুল্লায়েভের দ্বিতীয় হেডারে বল লক্ষ্য খুঁজে পান। এমনকি যখন ভারতীয়রা ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছিল, তখনও উজবেকিস্তান একবারের জন্যও খেলার দখল ছাড়েনি।
হাফ টাইমের ঠিক আগে তাদের তৃতীয় গোলটি করে ভারতের সব আশাই শেষ করে দেয়। নাসরুল্লায়েভ রিবাউন্ড বলে গোল ভারতীয় ভারতীয় রক্ষণের অসহায় তাঁকে সামনে নিয়ে আসে।
উজবেকিস্তান অনেক স্বস্তির সঙ্গে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করেছিল এবং ব্লু টাইগারদের প্রত্যাবর্তনের জন্য অলৌকিক কিছু ঘটতে হত। শেষ পর্যন্ত তারা যেটা করতে পেরেছিল তা হল বড় ব্যবধানে পরাজয় এড়ানো। প্রথমার্ধেই তিন গোলের পর আর গোল করতে পারেনি উজবেকিস্তান।
ভারতীয়দের এই ম্যাচে সমস্যআয় ফেলল তাদের অতি রক্ষণাত্মক কৌশল যা তাদের থেকে বেশি সআহআয্য করল শারীরিকভাবে শক্তিশালী এবং বেশি উচ্চতার উজবেক ফুটবলারদের। এর অর্থ ভারতের তরফে আক্রমণ ছিল না বললেই চলে।
লালিয়ানজুয়ালা ছাংতেকে এদিন বেঞ্চে রেখে, নওরেম মহেশ সিং-কে প্রথম একাদশে রাখা হয়েছিল। যেখানে দীপক ট্যাংরির জায়গায় অনিরুদ্ধ থাপাকে প্রথম দল রাখা হয়েছিল। শুভাশিষ বোসের পরিবর্তে আনা হয়েছিল আকাশ মিশ্রকে।
২৩ জানুয়ারি সিরিয়ার বিরুদ্ধে গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলবে ভারত।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
