Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক: টান টান উত্তেজনা, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। যে ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল এই কলকাতাতেই সেই ম্যাচ সরিয়ে দেওয়া হয় জামশেদপুরে। সেখানেই ডুরান্ড কাপ ২০২৪-এর কোয়ার্টার ফাইনালে পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে সাডেন ডেথে জয় তুলে নিল মোহনবাগান। এর আগে শিলং লাজংয়ের কাছে হেরে ছিটকে গিয়েছে কলকাতার আর এক দল ইস্টবেঙ্গল। শেষ পর্যন্ত কলকাতার আশা জিইয়ে রাখল মোহনবাগান। ডুরান্ড কাপের সূচি অনুযায়ী কলকাতায় ২৭ অগস্ট সেমিফাইনাল খেলতে নামার কথা মোহনবাগানের। যে উত্তেজনার কারণে কলকাতা থেকে ম্যাচ সরে গিয়েছিল সেই উত্তেজনা এখনও রয়েছে। তার মধ্যেই দিন কয়েক আগে সাংবাদিক সম্মেলন করে তিন প্রধানের কর্তারা জানান, তাঁরা ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনা‌ল ও ফাইনাল কলকাতায় ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানিয়েছেন। পর দিনই এই তিন ম্যাচ কলকাতায় করার কথা সরকারিভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়।

এদিন পঞ্জাব এফসি ও মোহনবাগানের মধ্যে ম্যাচ ছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের। কখনও পঞ্জাব এগিয়ে তো কখনও মোহনবাগান। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ টাইব্রেকারের গণ্ডি পেরিয়ে পৌঁছে গেল সাডেন ডেথে। সেখানেই বাজিমাত সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের। শুক্রবার নির্ধারিত সময়ের ম্যাচ শেষ হয়েছিল ৩-৩ গোলে। এর পর টাইব্রেকারে তার সঙ্গে যুক্ত হয় আরও চারটি করে গোল। ৩-৩ (৪-৪)। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ শেষ হয় ৩-৩ (৬-৫)-এ। প্রথমে ০-১ গোলে পিছিয়ে পড়েও ২-১ করে দেয় মোহনবাগান। এর পর ২-২ থেকে ২-৩ করে পঞ্জাব এফসি। শেষ পর্যন্ত ৩-৩ করে মোহনবাগান।

মোহনবাগানের হয়ে নির্ধারিত সময়ের তিনটি গোল করেন সুহেল, মনভীর ও কামিন্স। যদিও টাইব্রেকারের প্রথম শটটাই মিস করেন কামিন্স। আবার পিছিয়ে পড়ে মোহনবাগান। তবে গোলের নিচে শুরুতে কিছুটা টলমলে দেখালেও পরে বিশাল কাইথের হাতেই আটকে যায় পঞ্জাব এফসি।

এদিন মোলিনা প্রথম দল দেখে অনেকেই চোখ কপালে তুলেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছিল, কেন দ্বিতীয় দল নামালেন মোহনবাগানের হেড কোচ? শুভাশিস, দিমিত্রি, কামিন্স, মনভীররা কেউই ছিলেন না প্রথম দলে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে এঁদের সবাইকেই মাঠে নামিয়ে দেন মোলিনা, ফ্রেশ লেগের সুবিধে পেতে। যার ফল পিছিয়ে থেকে সমতায় ফেরে দল। টাইব্রেকারেও একই দৃশ্য দেখা যায়। পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফেরে দল। শেষ পর্যন্ত সাডেন ডেথে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *