ম্যাচের একদিন আগেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন,চাপমুক্ত তাঁর দল। মোহনবাগানের মতো প্রতিপক্ষ, তাদেরই ঘরের মাঠে ডুরান্ড কাপের ফাইনাল খেলতে নামার আগে কেউ এতটাট চাপমুক্ত কীভাবে থাকতে পারে।
অনেকটা আশা জাগিয়েও শেষরক্ষা হল না। তিরে এসে তরী ডুবলো মোহনবাগানের। গত দুই ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল মোহনবাগান। দলকে সমতায় ফিরিয়ে টাইব্রেকারে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল নির্ধারিত হয়েছিল।
যে কারণে ডুরান্ড কাপ ২০২৪-র ডার্বি বাতিল করে দেওয়া হল তা কিন্তু থামানো গেল না। এই ডার্বিরর মঞ্চেই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিদল ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাাগান একসঙ্গে প্রতিবাদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
বেশিদিন হয়নি দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। তার মধ্যেই খেলে ফেলেছেন ডুরান্ড কাপ সেমিফাইনাল তবে প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি। খেলতে হয়েছে পরিবর্ত হিসেবে।
রাত পোহালেই আরও একটা ডুরান্ড কাপ ফাইনাল। আবারও ফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। তবে গতবারের মতো আর সামনে চিরশত্রু ইস্টবেঙ্গল নয়।
ডার্বির স্বাদ সেমিফাইনালে মিটল মোহনবাগান জনতার। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গলা মিলিয়ে একযোগে হয়তো প্রতিবাদ করা হল না কিন্তু ম্যাচ শেষে যে টিফো নেমে এল সেখানে কিন্তু থেকে গেল ইস্টবেঙ্গল।
টান টান উত্তেজনা, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। যে ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল এই কলকাতাতেই সেই ম্যাচ সরিয়ে দেওয়া হয় জামশেদপুরে।
শেষ পর্যন্ত কলকাতাতেই হচ্ছে ডুরান্ড কাপ ২০২৪-এর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল। কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ ইস্টবেঙ্গল খেলছে শিলংয়ে আর মোহনবাগান খেলছে জামশেদপুরে।
১৮ আগস্ট ২০২৪, ভারতীয় তথা কলকাতা ফুটবলের ইতিহাসে লেখা থাকবে স্বর্ণাক্ষরে। এই দিন লেখা থাকবে, ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, মহামেডান তথা বাও ফুটবল সমর্থকদের নামে। ১৯৭৬ সালে একটা অগস্ট হয়েছিল।
এভাবেই কলকাতার রাস্তায় মিলে গেল লাল-হলুদ, সবুজ-মেরুন ও সাদা-কালো রঙ। বাইপাসের দখল নিল ছয় রঙ। লাঠি উচিয়ে ছুটে এল পুলিশ।
