Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক: শুক্রবার ভুবনেশ্বরে হয়ে গেল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়ে গেল ধুমধাম করে। সেখানে শুভাশিস বোস এবং সৌম্য গুগুলোথকে ২০২৪-২৫ সালের AIFF সেরা পুরুষ ও মহিলা খেলোয়াড় হিসেবে পুরস্কৃত হলেন। কলিঙ্গ সুপার কাপ ২০২৫ ফাইনালের আগে ওড়িশার রাজধানীতে এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিল ফেডারেশন।

অনুষ্ঠানে AIFF সভাপতি শ্রী কল্যাণ চৌবের সঙ্গে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন ওড়িশার মাননীয় উপ-মুখ্যমন্ত্রী শ্রী কনক বর্ধন সিং দেও, উচ্চশিক্ষা, ক্রীড়া ও যুব পরিষেবা, ওড়িয়া ভাষা সাহিত্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী শ্রী সূর্যবংশী সুরজ, ওড়িশা সরকারের ক্রীড়া ও যুব পরিষেবা বিভাগের প্রধান সচিব শ্রী ভাস্কর শর্মা, ওড়িশা সরকারের প্রধান সচিব শ্রী মনোজ আহুজা, ওড়িশা সরকারের প্রধান সচিব এবং ওড়িশা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শ্রী টঙ্কধর ত্রিপাঠী।

অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা, নির্বাহী কমিটি সহ, এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্য সদস্য সমিতির প্রতিনিধিরা পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এআইএফএফ সভাপতি শ্রী কল্যাণ চৌবে বলেন, “প্রথমত, আমি ওড়িশা সরকারকে ২০২৫ সালের কলিঙ্গ সুপার কাপ অত্যন্ত সফলভাবে আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। ওড়িশা এমন একটি রাজ্য যেখানে সেরা ফুটবল পরিকাঠামো রয়েছে এবং সর্বদা বিভিন্ন উপায়ে খেলাধুলাকে প্রচার করে। আমি গর্বের সাথে বলতে পারি যে ওড়িশায় ফুটবলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। গত বছর আমরা নতুন দিল্লিতে পুরষ্কার রাত্রি উদযাপন করেছিলাম, কিন্তু এই বছর আমরা বলতে পারি যে এটি অনেক বড় এবং আরও ভালো, এবং আমরা আশা করি যে আপনাদের সকলের সহায়তায় আমরা আগামী বছরগুলিতে এটিকে আরও বড় করতে পারব।”

শুভাশিস বোস এবং গুগুলোথ ছাড়াও, অন্যান্য ব্যক্তিগত পুরষ্কার বিজয়ীরা হলেন খালিদ জামিল (সেরা পুরুষ কোচ), সুজাতা কর (সেরা মহিলা কোচ), বিশাল কাইথ (সেরা পুরুষ গোলরক্ষক), এলাংবাম পান্থোই চানু (সেরা মহিলা গোলরক্ষক), ব্রাইসন ফার্নান্দেস (প্রতিশ্রুতিমান পুরুষ খেলোয়াড়), তোইজাম থোইবিসানা চানু (প্রতিশ্রুতিমান মহিলা খেলোয়াড়), ভেঙ্কটেশ আর (সেরা পুরুষ রেফারি), টেকচাম রঞ্জিতা দেবী (সেরা মহিলা রেফারি), বৈরামুথু পি (সেরা পুরুষ সহকারী রেফারি), এবং রিওহলাং ধর (সেরা মহিলা সহকারী রেফারি)।

এর আগে যাঁরা সেরা পুরুষ ফুটবলারের পুরস্কার পেয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে শুভাশিসের আগে ডিফেন্ডার ছিলেন গৌরমাঙ্গি সিং (২০১০), সুরকুমার সিং (২০০৬), দীপক মণ্ডল (২০০২) ভিপি সত্যান (১৯৯৫), সন্দেশ ঝিংগান (২০২১) ও সৈয়দ রহিম নবী (২০১২)। অন্যদিকে ২০১২ সালে নবীর পর পশ্চিমবঙ্গের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই পুরস্কার জিতলেন শুভাশিস।

এছাড়া মোহনবাগান এসজি-র হয়ে ঐতিহাসিক এবং রেকর্ড-ব্রেকিং অভিযানের পর বিশাল কাইথকে সেরা পুরুষ গোলরক্ষকের শিরোপা দেওয়া হয়। এই মরশুমে ১৫টি ক্লিন শিট অর্জনের পর তিনি তাঁর দ্বিতীয় আইএসএল গোল্ডেন গ্লাভ জিতেছেন এবং আইএসএল ইতিহাসে ক্লিন শিটের অর্ধশতক পূর্ণ করা প্রথম গোলরক্ষকও হয়েছেন। সাত বছর পর জাতীয় দলের শুরুর লাইন-আপে ফিরে আসেন কাইথ। মলদ্বীপ এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে দু’টি ক্লিন শিট দিয়ে।

মিডফিল্ডার ব্রাইসন ফার্নান্দেস প্রমিসিং মেন’স প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। ২৪ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় এফসি গোয়ার হয়ে একটি যুগান্তকারী মরসুম কাটিয়েছেন, আইএসএলে সাতটি গোল করেছেন এবং দু’টি অ্যাসিস্ট করেছেন। ফার্নান্দেসের ২০২৫ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিনিয়র ইন্ডিয়া অভিষেক হয়েছিল।

জামশেদপুর এফসির প্রধান কোচ খালিদ জামিল টানা দ্বিতীয়বারের মতো এআইএফএফ পুরুষ কোচ অফ দ্য ইয়ার পুরষ্কার পেয়েছেন। জামশেদপুরের সঙ্গে তাঁর প্রথম পূর্ণাঙ্গ মরসুমে, তিনি তাদের আইএসএলের সেমিফাইনালে এবং প্রথমবারের মতো কলিঙ্গ সুপার কাপ ফাইনালে নিয়ে গিয়েছেন। জামিল জামশেদপুর এফসির ইতিহাসে সর্বাধিক জয়ে পাওয়া প্রধান কোচ।

AIFF মহিলা কোচের পুরষ্কার পেয়েছেন সুজাতা কর, যিনি সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত শ্রীভূমি এফসিকে ২০২৪-২৫ সালে ইন্ডিয়ান উইমেন্স লিগে তৃতীয় স্থানে নিয়ে গিয়েছেন।

এর বাইরে রাজ্য সংস্থাগুলোকেও পুরস্কৃত করা হয়েছে। ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (মহারাষ্ট্র) এবং ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (পশ্চিমবঙ্গ) উজ্জ্বল উদাহরণ রেখেছে, তিনটি করে পুরষ্কার জিতেছে এই দুই অ্যাসোসিয়েশন।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *