এএফসি কাপে জয় মোহনবাগানের। ছবি সৌজন্যে ট্যুইটার
অলস্পোর্ট ডেস্কঃ মরসুমে এই নিয়ে তৃতীয় বার এটিকে মোহনবাগান বনাম হায়দরাবাদ এফসির ম্যাচ নির্ধারিত সময়ে ফল হল না। আইএসএলের সেমিফাইনালের মতো এ দিনও ফয়সালা হল টাইব্রেকারে। শেষ অবধি টাইব্রেকারে ৩-১’র অনবদ্য জয় এটিকে মোহনবাগানের। এএফসি কাপে তারা যোগ্যতা অর্জন করল।
ইন্ডিয়ান সুপার লিগে অনবদ্য ছন্দে ছিলেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। এএফসি কাপের প্লে অফ ম্যাচেও সবুজ মেরুনকে ভরসা দিলেন পেত্রাতোস। আইএসএল চ্যাম্পিয়ন এটিকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন তিনিই। কোঝিকোড়ের ইএমএস স্টেডিয়ামে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচ শুরুর ২০ মিনিটের মধ্যে দলকে এগিয়ে দেন পেত্রাতোস। এখানেও বোমাস-পেত্রাতোস জুটি। ম্যাচের শুরু থেকে কার্যত দাপট ছিল হায়দরাবাদ এফসিরই। খেলার বিপরীতে এগিয়ে যায় সবুজ মেরুন। হুগো বুমো বল পেয়েই দ্রুততার সঙ্গে বক্সে স্কোয়ার পাস করেন। এমন সুযোগ নষ্ট করেননি দিমিত্রি পেত্রাতোস।
হায়দরাবাদ এফসির হয়ে প্রথমার্ধের একেবারে শেষ দিকে সমতা ফেরান জোয়েল চিয়ানেসে। তার আগে আরও একবার আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সবুজ মেরুন শিবিরে। সে সময় বল পোস্টে লাগে। তবে ১-১ স্কোরেই বিরতিতে যায় দু-দল। দ্বিতীয়ার্ধে বোমাসের জায়গায় গালেগোকে নামান খুয়ান ফেরান্দো। নির্ধারিত সময়ে স্কোর লাইন ১-১ থাকায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। তবে হায়দরাবাদ এফসি কোচের জন্য শেষটা ভালো হল না। হায়দরাবাদের কোচ হিসেবে এটিই তাঁর শেষ ম্যাচ। অতিরিক্ত সময়ের খেলা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই রেফারির সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ান হায়দরাবাদ কোচ। তাঁকে লাল কার্ড দেখানো হয়। যদিও অতিরিক্ত সময়েও ম্যাচের ফয়সালা হল না। টাইব্রেকারে খেই হারাল হায়দরাবাদ। ফোকাস ধরে রেখে ৩-১ ব্যবধানে জয় সবুজ মেরুনের।
