সুচরিতা সেন চৌধুরী: ইস্টবেঙ্গলের একমাত্র বাঙালি তিনিই। তবুও প্রথম একাদশে নিয়মিত জায়গা হয় না তাঁর। একটা সময় অধিনায়কের ভূমিকায়ও দেখা গিয়েছে, তখন কুয়াদ্রাতের সময়। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছুই বদলে যায়। বদলে গিয়েছে সৌভিক চক্রবর্তীর অবস্থানও। পরিবর্তে নামছেন। তবে তাতে অসুবিধা নেই, বরং দলের স্বার্থে কোচ যেভাবে খেলাবেন সেভাবেই নিজেকে উজার করে দিতে চান তিনি। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে মরসুমের প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচে নামার আগে দলের জয়ে ফেরা ছাড়া আর কিছু নিয়েই ভাবছেন না ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের বাংলার একমাত্র প্রতিনিধি।
১৩ ম্যাচের লিগ হওয়ার ফলে চ্যাম্পিয়নশিপ যে রীতিমতো খোলা রয়েছে তা মেনে নিচ্ছেন সৌভিক, তবে এও বলছেন, “ভুল করার জায়গা নেই”। বলছিলেন, “শর্ট লিগ বলে মনে হচ্ছে কঠিন। তবে লিগ এখনও খোলা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পয়েন্ট নষ্ট হলে অবশ্য কঠিন হয়ে যাবে। এই অবস্থায় পুরো দলকে একাত্ম থাকতে হবে। কোচ সবসময় গাইড করছে, সেভাবে চলতে হবে। আমাদের ভালো সময় আসছে।”
তবে সৌভিকের মতে, আন্তর্জাতিক ব্রেকে ফোকাস নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ সেই সময় প্রতিযোগিতার বাইরে থাকতে হয় ক্লাব দলগুলোকে। সেখান থেকে ফিরে আসতে এবং মানিয়ে নিতে সময় লাগে বলেও মনে করছেন সৌভিক চক্রবর্তী। বলছিলেন, “গতি ধরে রাখতে হবে, যারা সেটা পারবে তারাই এগিয়ে যাবে।”
পাশাপাশি একজন খেলোয়াড় হিসেবে তিনি সবসময় আগে দল ও পরে ব্যক্তিগত লক্ষ্যকে রাখেন বলেই জানাচ্ছেন। বলেন, “আমি সব সময়ই খেলতে চাইবো। তবে আগে দল,তাঁর পর ব্যক্তিগত। আমি চেষ্টা করব যাতে আরও ভালো অনুশীলন করে আরো বেশি গেম টাইম পাওয়া যায়। তবে যতটুকু সময় পাব, সেরাটাই দেব।”
আপাতত অতীত নিয়ে আর ভাবতে চাইছেন না। বরং তাকাতে চাইছেন সামনের দিকে। বলছিলেন, “ভুল খেলারই অংশ। শেষ দুটো ম্যাচের দুর্ভাগ্যজনক ফল হয়েছে। তবে পুরনো কথা ভেবে লাভ নেই। আমাদের সামনে অনেক ভালো সুযোগ রয়েছে। আমরা জেতার জন্য তৈরি।” এর সঙ্গে এও মেনে নিচ্ছেন, এই মরসুমে সব দলই প্রায় সমানে সমানে রয়েছে। বলেন, “একমাত্র মহমেডান ছাড়া বাকি সব দলই কঠিন প্রতিপক্ষ। ওরা বিদেশি ছাড়া খেলছে। বাকি সবাই সবাইকে বৈঠক দিতে পারে। তাই চেন্নাই ম্যাচ সহজ হবে না।”
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
