সুচরিতা সেন চৌধুরী: ইস্টবেঙ্গলের একমাত্র বাঙালি তিনিই। তবুও প্রথম একাদশে নিয়মিত জায়গা হয় না তাঁর। একটা সময় অধিনায়কের ভূমিকায়ও দেখা গিয়েছে, তখন কুয়াদ্রাতের সময়। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছুই বদলে যায়। বদলে গিয়েছে সৌভিক চক্রবর্তীর অবস্থানও। পরিবর্তে নামছেন।...
ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানে ক্রমশ কমছে বাঙালি। দুই দলেই নিয়মিত খেলা বাঙালির সংখ্যা এক। মোহনবাগানের শুভাশিস বোস হলে ইস্টবেঙ্গলের সৌভিক চক্রবর্তী। দু’জনেই অনেকেই ডার্বির সাক্ষী। ইস্টবেঙ্গলের ঘরের ছেলে হয়ে ওঠা সৌভিক তাই এই ডার্বির আবেগটা বোঝেন।
শহর থেকে দূরে সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের মাঠে নিয়মিত অনুশীলন করে ইস্টবেঙ্গল। ইট, কাঠ, পাথুরে শহুরে আবহাওয়া থেকে কিছুটা যেন প্রকৃতির মাঝেই দলকে নিয়ে এই মরসুমের প্রস্তুতি সারা। সব সময় সংবাদ মাধ্যম সেখানে গিয়েও পৌঁছতে পারে না।
অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার সৌভিক চক্রবর্তীকে ধরে রাখল ইস্টবেঙ্গল। দুই বছরের চুক্তিতে প্রিয় দলের সঙ্গেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন সৌভিক। যার ফলে ২০২৬-২৭ মরসুমের শেষ পর্যন্ত ক্লাবের সঙ্গে তার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হয়ে গেল।
বাংলার ফুটবল দলগুলোতে বাঙালি ফুটবলের অভাব নিয়ে বহুদিন ধরেই আলোচনা চলছে। কিন্তু তাতে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি। বরং ক্রমশ কমছে বাঙালি ফুটবলারের সংখ্যা। হারিয়ে যাচ্ছে ভীন রাজ্যের প্লেয়ারদের ভিড়ে।
সম্প্রতি বাংলাার ফুটবলে শুধুই হতাশা। নেই কোনও বাঙালি ফুটবলার। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের দিকে তাকালে দেখা যাবে নিয়মিত খেলছেন এমন বাঙালি এই দুই দলে রয়েছেন একজন করে। মোহনবাগানের শুভাশিস বোস আর ইস্টবেঙ্গলের শৌভিক চক্রবর্তী।
ইন্ডিয়ান সুপার লিগের বঙ্গ ফুটবলারদের তালিকায় তিনি থাকলেও গত মরশুম পর্যন্ত তারকা হয়ে উঠতে পারেননি। কিন্তু চলতি মরশুমে শৌভিক চক্রবর্তী-কে তারকার তকমা দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকেরা।
