Cart Total Items (0)

Cart

All Sports India
চুম্বন বিতর্ক

অলস্পোর্ট ডেস্ক:  চুম্বন বিতর্ক-এর পর নড়ে চড়ে বসেছে ফিফা। আপাতত ৯০ দিনের জন্য বিশ্ব ফুটবল নিয়ামক সংস্থা নির্বাসিত করেছে স্পেনের ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট লুইস রুবিয়ালসকে। স্পেনের মহিলা ফুটবল দল ফিফা বিশ্বকাপ জেতার পর থেকে চুম্বন বিতর্কের জল বহুদূর গড়িয়েছে। একাধিক দিক থেকে ৪৬-এর লুইস রুবিয়ালসকে তাঁর এই কাণ্ডের জন্য পদত্যাগ করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু লুইস নিজে জানিয়ে দিয়েছিলেন কোনও মতেই তিনি ইস্তফা দেবেন না। পরিস্থিতি এখন কিছুটা বদলেছে। লুইস রুবিয়ালসকে আপাতত নির্বাসনে পাঠিয়েছে ফিফা। একইসঙ্গে তাঁকে জানানো হয়েছে ৩ মাসের এই নির্বাসন কিন্তু আরও বাড়তে পারে। সেই চুম্বন বিতর্কে এবার এল নয়া মোড়। সোমবার স্পেনের শীর্ষ ফৌজদারি আদালতের প্রসিকিউটররা স্প্যানিশ ফুটবল প্রধানের বিশ্বকাপ জয়ী জেনি হারমোসাকে জোর করে চুম্বন করার বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছেন।

আরএফইএফ এর বিবৃতি অনুযায়ী, রুবিয়ালেস বিশ্বকাপ জয়ীদের ছোট করার চেষ্টা করেছেন। তবে গত শুক্রবার স্থানীয় কর্মকর্তাদের কয়েকজন রুবিয়ালেসের পক্ষে মত দিয়েছিলেন। যেখানে রুবিয়ালেস জোর দিয়ে জানিয়েছিলেন যে তিনি পদত্যাগ করবেন না। এবং বিশ্বকাপের মঞ্চে চুম্বনটি ছিল সম্মতিমূলক। এরপর হারমোসা জানান চুম্বনে তাঁর সম্মতি ছিল না।

এরপর স্পেনের জাতীয় আদালত জানিয়েছে যে তারা ২০ অগস্ট সিডনিতে বিশ্বকাপ ফাইনালে রুবিয়ালেসের হারমোসাকে জোর করে চুম্বন করা নিয়ে একটি প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। যা ‘যৌন নির্যাতন’ এর ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। আদালত থেকে আরও জানানো হয়েছে যে তারা হারমোসার সঙ্গে শীঘ্রই যোগাযোগ করবে যাতে তিনি ১৫ দিনের মধ্যে মামলা করার সুযোগ পান।

চুম্বন বিতর্কের ঘটনাটি নিয়ে হারমোসা জানিয়েছিলেন, তিনি নিজেকে ‘হতাশ এবং যৌন নিপীড়নের শিকার’ বলে মনে করছেন। এছাড়াও সমাজ মাধ্যমে তিনি বলেন, ‘‘আমার কোন সম্মতি ছিল না।’’

স্পেনের আদালত থেকে বলা হয়েছে তাঁরা হারমোসার সমাজ মাধ্যমে দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী রুবিয়ালেসের এই আচরন তাঁর কাছে ছিল ‘অর্থহীন’ এবং ‘আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার মতো’, তার উপর ভিত্তি করেই তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এছাড়াও আদালত থেকে বলা হয়েছে, ‘‘জেনি হারমোসার দেওয়া প্রকাশ্য বিবৃতি অনুযায়ী তিনি লুইস রুবিয়ালেসের দ্বারা যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন এবং চুম্বনে তাঁর কোন সম্মতি ছিল না।’’

তবে আদালত থেকে এও বলা হয়েছে, ‘‘যৌন নিপীড়ন, হয়রানি বা যৌন নির্যাতনের মামলা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিপীড়িত ব্যক্তি বা তাঁর আইনি প্রতিনিধির পক্ষে মামলা দায়ের করা প্রয়োজন। তবে এর পরেও যদি হারমোসা মামলা দায়ের করার সিদ্ধান্ত না নেন তাহলে আদালতের পক্ষে মামলাটি আর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।’’

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *