Cart Total Items (0)

Cart

All Sports
তিরি

অলস্পোর্ট ডেস্ক: এটিকে মোহনবাগানকে বিদায় জানালেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার হোসে লুই এসপিনোসা অরোয়ো ওরফে তিরি । নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে তিনি জানিয়ে দিলেন তাঁর সিদ্ধান্তের কথা। গত তিন বছর এটিকেমোহনবাগানের সঙ্গে ছিলেন তিনি। এ বার হয়তো অন্য ক্লাবের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে দেখা যাবে তাঁকে।

সম্প্রতি একটি ভিডিও পোস্ট করে তিরি টুইটারে জানিয়ে দিয়েছেন, “তিন বছরের সম্পর্কের জন্য এটিকে মোহনবাগানকে ধন্যবাদ। সমর্থকদের ভালবাসার জন্য তাদের ধন্যবাদ। অন্যভাবেও বিদায় জানাতে পারতাম। কিন্তু খুব দ্রুত সব কিছু হয়ে গেল। কিন্তু নতুন সুযোগ পেলে জীবনে এ রকম অনেক সিদ্ধান্ত নিতেই হয়। সবাইকে খুব মিস করব”।

২০১৫-য় প্রথম ভারতে আসেন তিরি। এটিকে এফসি-তে সই করে হিরো আইএসএলের গ্রহে প্রবেশ করেন তিনি। ২০১৬-য় চ্যাম্পিয়ন এটিকে দলের সদস্য ছিলেন তিনি। ২০১৭-য় জামশেদপুর এফসি-তে যোগ দেন। ২০২০-তে জামশেদপুর ছেড়ে এটিকে মোহনবাগানে যোগ দেন তিনি। এই পাঁচ বছরে হিরো আইএসএলে মোট ১১০টি ম্যাচ খেলেছেন তিরি। এর মধ্যে তিনটি গোল করেছেন ও দুটিতে অ্যাসিস্ট করেছেন। তিনটি গোলই করেন জামশেদপুর এফসি-র হয়ে খেলার সময়, যে ক্লাবের হয়ে তিনি ৪৮টি ম্যাচ খেলেছেন। এটিকে-র হয়ে ২৪টি ও এটিকে মোহনবাগানের হয়ে ৩৮টি ম্যাচ খেলেন।

২০২১-২২ মরশুমে তিনি এটিকে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে ১৭টি ম্যাচ খেলেন। কিন্তু মরশুমের শেষ দিকে এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে গোকুলাম কেরালা এফসি-র লুকা মাজেনকে আটকাতে গিয়ে গুরুতর চোট পেয়ে মাঠের বাইরে চলে যান সবুজ মেরুন শিবিরের স্প্যানিশ ডিফেন্ডার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে তিরি চোট পেয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পরেই সবুজ-মেরুন রক্ষণে যে ফাটল তৈরি হয়, সেই ফাটলকে কাজে লাগিয়েই একের পর এক গোল দেয় গোকুলম কেরালা এফসি এবং ৪-২-এ ম্যাচটি জিতে নেয়।

এই চোটই তাঁকে পরের হিরো আইএসএল মরশুমে আর একটিও ম্যাচ খেলতে দেয়নি। প্রায় ১১ মাস পরে গত ১০ এপ্রিল হিরো সুপার কাপে দুটি ম্যাচ খেলেন তিনি। যে গোকুলামের বিরুদ্ধে চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছিলেন, সেই গোকুলামের বিরুদ্ধেই মাঠে ফেরেন তিনি এবং ২৬ মিনিট মাঠে ছিলেন। পরে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধেও ৪৫ মিনিট মাঠে ছিলেন। মাঠে ফেরার পর এ বার ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।

(লেখা ও ছবি আইএসএল ওয়েবসাইট থেকে)

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *