Cart Total Items (0)

Cart

All Sports
আইএসএল

অলস্পোর্ট ডেস্ক:‌ অবশেষে ভারতীয় ফুটবলের অচলবস্থা কাটার একটা ইঙ্গিত মিলল সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তে। ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন ও এফএসডিএলর মধ্যে মাস্টার রাইটস এগ্রিমেন্ট ঘিরে তৈরি হওয়া জটিলতা ঘিরে আইএসএল অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে গেছে। এতে সমস্যায় পড়েছে আইএসএলে অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলো। বিশেষ করে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ও ইস্টবেঙ্গল বাদ দিয়ে ১১ ক্লাব প্রতিনিধিরা নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেছে বিভিন্ন ভাবে, এমনকি সদ্য হওয়া ফেডারেশন সভাপতি কল্যান চৌবের সঙ্গে বৈঠকে। সুপ্রিম কোর্টের কাছে বিষয়টি সোমবার নজরে আনলে, দেশের শীর্ষ আদালত শুক্রবার, ২২ আগস্ট গোটা ব্যাপারটা শুনবে বলে কথা দিয়েছে।

দেশের ১১ টি আইএসএল খেলা ক্লাব এআইএফএফকে চরমপত্র দিয়ে জানিয়েছিল, যদি দ্রুত সমস্যা না মিটিয়ে আইএসএল শুরু করা সম্ভব না হয়, তাহলে তারা ক্লাব পরিচালনা বন্ধ করে দেবে। ইতিমধ্যেই ৩টি ক্লাব সেপথে হেঁটেছে। ১১ আগস্ট বৈঠকে ফেডারেশন সভাপতি কল্যান চৌবে ক্লাব প্রতিনিধিদের আশ্বস্ত করেছিলেন এটা বলে,যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া ফেডারেশনের সংশোধিত সংবিধান ও নির্বাচনী বিধি নিয়ে চুড়ান্ত রায় না পাওয়া পর্যন্ত নতুন করে চুক্তি নবীকরণের পথে হাঁটতে চায়নি এফএসডিএল, তাই আইএসএল থমকে রয়েছে। তবে এই জট যাতে দ্রুত ছাড়ে তার জন্য উদ্যোগ নেবেন। আইএসএল না হওয়া পর্যন্ত সুপার কাপ আয়োজনের প্রস্তাবও রাখেন বৈঠকে।

১১ আইএসএল ক্লাব প্রতিনিধিদের কাছে এটা ফাঁকা আওয়াজ বলেই মনে হয়েছিল। তাঁরা ফেডারেশন সভাপতিকে পরদিনই চিঠি লিখে জানান, বিষয়টা যদি দ্রুত সুপ্রিম কোর্টের গোচরে না আনে ফেডারেশন, তাহলে তাঁরাই দেশের শীর্ষ আদালতের দারস্থ হবেন একযোগে। এই চিঠি পেয়ে ফেডারেশন সভাপতি কল্যান চৌবে সংস্থার লিগাল সেল ও ক্লাব প্রতিনিধিদের আইনজীবির সঙ্গে আলোচনা সেরে জানান, তাঁরা দ্রুত সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হচ্ছেন সমস্যা মেটাতে। কিন্তু এরপর হঠাৎই এতে নতুন মোড় আসে ফেডারেশন এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায়।

ফেডারেশনের এই ইউটার্নে হাল না ছেড়ে সোমবার অ্যামিকাস কিউরিয়ে অর্থাৎ কোর্টের নিরপেক্ষ পরামর্শদাতা আইনজীবি গোপাল শঙ্করনারায়ণন ও সমর বনসাল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পি এস নরসিমা ও এ এস চন্দুরকারের বেঞ্চে আর্জি পেশ করে জানান, এফএসডিএলের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ এখনও শেষ হয়নি। তাই তার মধ্যে সেই চুক্তিকে মান্যতা দিয়ে ফেডারেশনের সঙ্গে সহযোগিতার রাস্তায় হেঁটে আইএসএল শুরু করা উচিত ছিল এতিদনে। আর যদি সেটা না করে, তাহলে এআইএফএফকে নতুন চুক্তি করার জন্য টেন্ডার ডাকার অধিকার দেওয়া দরকার ছিল। ক্রমশ পরিস্থিতি যা ঘোরালো হচ্ছে, তাতে ক্লাব বন্ধ হলে, ক্লাবের সঙ্গে জড়িত ফুটবলার ও কর্মীরা মাইনে না পেয়ে ফিফার দরবারে চলে গেলে ভারতকে আবার নির্বাসনের মুখে পড়তে হবে। এর আগে একবার যা হয়েছিল অন্য কারণে।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *