কার্লোস আলকারাজ
অলস্পোর্ট ডেস্ক: উইম্বলডন ২০২৩-এর ফাইনালে মুখোমুখি কার্লোস আলকারাজ এবং নোভাক জকোভিচ। শুক্রবার দু’জনেই সেন্টার কোর্ট সেমিফাইনাল জিতে চ্য়াম্পিয়ন হওয়ার দৌঁড়ে শেষ হার্ডলের সামনে দাঁড়িয়ে। বিশ্বের এক নম্বর এবং ইউএস ওপেনের বিজয়ী আলকারাজ, তাঁর চতুর্থ গ্রাস-কোর্ট টুর্নামেন্টে খেলে দানিল মেদভেদেভকে ৬-৩, ৬-৩, ৬-৩ সেটে হারিয়ে দেন।
জোকোভিচ জুনে ফরাসি ওপেনের সেমিফাইনালে আলকারাজকে হারিয়েছিলেন এবং স্প্যানিয়ার্ড স্বীকার করেছিলেন যে সার্বদের মুখোমুখি হওয়ার মানসিক চাপের কারণে শরীরে তীব্র ব্যথা ছিল যা তাঁর পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলে। “আমি বিশ্বাস করি আমি জকোভিচকে হারাতে পারব,” বলেছেন ২০ বছর বয়সী আলকারাজ। যিনি ২০০৮-এ অস্ট্রেলিয়ায় জকোভিচের প্রথম স্ল্যাম শিরোপা পাঁচ বছরের শিশু ছিলেন।
“সবাই জানে তিনি কিংবদন্তি। আমি লড়াই করব। আমার নিজের উপর বিশ্বাস আছে। ভয় পাওয়ার সময় নেই, ক্লান্ত হওয়ার সময় নেই,” বলেন আলকারাজ। মাত্র দু’বছর আগে উইম্বলডনে মেদভেদেভের কাছে সোজা সেটে হেরে যাওয়ার পর আলকারাজ মাত্র সাতটি ম্যাচ জিতেছেন। যদিও তখন বিশ্ব ক্রমতালিকায় তাঁর অবস্থান ছিল ৭৫ এবং মেদভেদেভের র্যাঙ্কিং ছিল দুই।
শুক্রবার, আলকারেজ ৫-৩ লিডে নিয়ে গিয়েছিলেন ব্রেক পয়েন্টকে কাজে লাগিয়ে। দ্বিতীয় সেটের দ্বিতীয় গেমে মেদভেদেভ তাঁর একমাত্র ব্রেক পয়েন্টটি ছিনিয়ে নিয়েছিলেন এবং ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন আলকারাজ একটি বিশ্বাসযোগ্য লিডের পথে তৃতীয়টিতে বড় ধাক্কা খেয়েছিলেন। তৃতীয় সেটে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আলকারাজ একটি ব্রেক পয়েন্ট নিয়েছিলেন এবং পরপর চারটি ব্রেক পয়েন্ট তাঁকে ফাইনালে পৌঁছে দেওয়ার রাস্তাটা সহজ করে দেয়।
রবিবার আলকারেজের সামনে জকোভিচ। তার আগে উইম্বলডন ২০২৩-এর ফাইনালে এই নিয়ে ন’বার পৌঁছলেন তিনি। গতবারের চ্যাম্পিয়ন নোভাক বিগ-হিটিং জনিক সিনারকে হারিয়ে সিঙ্গলসে শুক্রবার রেকর্ড ৩৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে পৌঁছে গেলেন তিনি। ৬-৩, ৬-৪, ৭-৬ (৭/৪) জয় যদিও খুব সহজে আসেনি। প্রথম দুই সেটে জয় সহজ হলেও শেষ সেটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ফিরে আসেন জনিক। এতটাই লড়াইয়ের মুডে ছিলেন জোকোভিচও,যার ফলে এক সময় আম্পায়ারের সঙ্গে তর্কও জুড়ে দেন। তবে শেষ পর্যন্ত জিতে অষ্টমবারের মতো উইম্বলডনের আরও কাছে পৌঁছে গেলেন তিনি।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
