দ্বিতীয় বিদেশিও চূড়ান্ত করে ফেলল ইস্টবেঙ্গল। জানা যাচ্ছে জার্মানির এই সেন্টার ফরোয়ার্ড ফেলিসিয়ো ব্রাউন ফোর্বসকে পছন্দ করেছেন স্বয়ং কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত।
জল্পনা ছিলই। সেই মতো সিভেরিও টোরোকে ছেড়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে দিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। বুধবারই বন্ধ হয়েছে উইন্টার ট্রান্সফার উইন্ডো।
ইস্টবেঙ্গল এফসি বর্তমান ইন্ডিয়ান সুপার লিগের মরসুমের বাকি অংশের জন্য অভিজ্ঞ স্প্যানিশ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ভিক্টর ভাজকুয়েজ-কে দলে নেওয়ার কথা ঘোষণা করে দিল।
দলকে সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন করে ইস্টবেঙ্গলকে বিদায় জানালেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার বোরহা হেরেরা । মঙ্গলবার ক্লাবের পক্ষ থেকে অফিসিয়ালি জানিয়ে দেওয়া হল।
সোমবার কাজের দিন। স্কুল, কলেজ, অফিসে সপ্তাহের শুরুর দিন হলেও ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের কাছে দিনটি শুধুই উৎসবের সঙ্গে আবেগে ভেসে যাওয়ার।
সম্প্রতি বাংলাার ফুটবলে শুধুই হতাশা। নেই কোনও বাঙালি ফুটবলার। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের দিকে তাকালে দেখা যাবে নিয়মিত খেলছেন এমন বাঙালি এই দুই দলে রয়েছেন একজন করে। মোহনবাগানের শুভাশিস বোস আর ইস্টবেঙ্গলের শৌভিক চক্রবর্তী।
কার্লেস কুয়াদ্রাত ইস্টবেঙ্গলের কাছে হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালা। যিনি প্রথম আগমনেই একটু একটু করে লাল-হলুদের গা থেকে ঝেঁড়ে ফেললেন ট্রফি না পাওয়ার হতাশাকে।
সন্ধে থেকেই কলিঙ্গ স্টেডিয়ামের আকাশে জ্বল জ্বল করছিল লালচে চাঁদ। পুরো ম্যাচে একইভাবে সেই চাঁদ সাক্ষী থেকে গেল সুপার কাপ ফাইনালের।
রবিবার কলিঙ্গ সুপার কাপ ফাইনালে মরশুমের দ্বিতীয় ফাইনাল খেলতে নামার আগে সতর্ক ইস্টবেঙ্গল এফসি।
লড়াইটা শুরু হয়েছিল ডুরান্ড কাপ ফাইনালে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে হারের পর থেকেই। কার্লেস কুয়াদ্রাতের হাত ধরে আট ম্যাচ পর মোহনবাগানের বিরুদ্ধে জয়ের হাসি হেসেছিল ইস্টবেঙ্গল।
