Cart Total Items (0)

Cart

All Sports India
মোহনবাগান বনাম মুম্বই সিটি এফসির ম্যাচ মানেই একটা টান টান উত্তেজনা। প্রথম থেকেই এই দুই দলের মধ্যের এই ফুটবল মাঠের শত্রুতা কীভাবে যেন তৈরি হয়ে গিয়েছিল। তাই যখনই এই দুই দল মুখোমুখি হয় তখন গ্যালারিও তেতে থাকে ততটাই।
ওডিশা এফসি-র ঘরের মাঠে তাদের সমর্থকদের সামনে দিয়েগো মরিসিওদের কোনও গোল করতে না দিয়ে ড্র করায় খুশি মহমেডান এসসি-র নবনিযুক্ত হেড কোচ মেহরাজউদ্দিন ওয়াডু। অন্যদিকে, এই ফলে বেশ হতাশ ওডিশার হেড কোচ সের্খিও লোবেরা।
গত মরশুম পর্যন্ত তিনি ছিলেন যে ক্লাবে, শনিবার সেই মুম্বই সিটি এফসি-র ঘরের মাঠে তাদের প্রতিপক্ষ মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের জার্সি গায়ে নামবেন লালেংমাউইয়া রালতে ওরফে আপুইয়া।
বুধবার রাতে হায়দরাবাদ এফসি-কে হারিয়ে সেরা ছয়ের দৌড়ে নিজেদের আশা জিইয়ে রাখলেও ইস্টবেঙ্গলের সামনে রাস্তা বেশ কঠিন। শুধু যে শেষ দুই ম্যাচে তাদের জিততেই হবে, তা নয়, তাদের ওপরে থাকা দলগুলিকেও পয়েন্ট খোয়াতে হবে।
লিগের শেষ বেলায় ইস্টবেঙ্গল এফসি জ্বলে ওঠায় যে সেরা ছয়ে পৌঁছনোর দৌড় বেশ জমে উঠেছে, এই নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। প্লে অফের শেষ দু’টি জায়গা দখলের জন্য লড়াই এখন মূলত চারটি দলের মধ্যে, যাদের মধ্যে ইস্টবেঙ্গলও রয়েছে।
ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতে তখন আর বাকি দুই থেকে আড়াই মিনিট। অতিরিক্ত সময়ের খেলা চলছে। ততক্ষণে যদিও ইস্টবেঙ্গলের জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে, তবে সেটা আত্মঘাতি গোলে।
প্লে-অফে যাওয়ার কি ক্ষীণ সম্ভাবনাও আছে ইস্টবেঙ্গল এফসি-র? নেই বললে ভুল হবে। অঙ্ক বলছে, আছে। কিন্তু বাস্তব বলছে, অঘটন ছাড়া তা সম্ভব না। সারা বিশ্বের ফুটবলে যদিও অঘটন নিয়মিত ঘটে। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের প্লে-অফের রাস্তা পরিস্কার হতে হলে পরপর অনেকগুলি...
রবিবার রাতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ওডিশা এফসি-র বিরুদ্ধে ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে এমন একজনের জয়সূচক গোলে আইএসএল শিল্ড জেতে মোহনবাগান, যিনি গত দু’মাস ধরে কোনও গোলই পাননি। তিনি দিমিত্রিয়স পেট্রাটস।
৭৮ মিনিটের পরিবর্তনেই বাজিমাত করলেন হোসে মোলিনা। যখন তিনি নামিয়ে দিলেন দিমিত্রিকে। তার পর ম্যাচ গড়াল নির্ধারিত সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে অতিরিক্ত সময়ে। নয় মিনিটের অতিরিক্ত সময়।ঘড়ির কাটা মনে মনে মিলিয়ে নিলেন ওড়িশা গোলকিপার।
আর মাত্র একটা ম্যাচ। তার ফলের উপরই ঝুলে রয়েছে মোহনবাগানের শিল্ড ভাগ্য। শিল্ড প্রায় হাতের মুঠোয় চলেই এসেছে, রবিবারের ম্যাচ জিতলে তা নিশ্চিত হয়ে যাবে। ৫২ পয়েন্টে পৌঁছে যাওয়া মোহনবাগান চলে যাবে ধরাছোঁয়ার বাইরে।