Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক: চারবারের ব্যর্থতা ঘুচিয়ে পঞ্চমবার ২০২২‌ কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসির হাতে উঠেছিল চ্যাম্পিয়ন ট্রফি। সেই আনন্দে ভেসে যাওয়ার রাতেই সারা বিশ্বে মেসি ভক্ত সহ ফুটবলপ্রেমীদের মনে প্রশ্নটা ঘুরপাক খেতে শুরু করেছিল, কাতার বিশ্বকাপের পরই কি থেমে যাবেন মেসি?‌ দেশের জার্সি গায়ে শেষ ম্যাচ কি খেলে ফেললেন?‌ চারবছর পর ২০২৬ বিশ্বকাপে মেসির পক্ষে খেলা কি সম্ভব?‌ তিনি কি নিজের ইমেজ ঠিক রাখতে আর একটা বিশ্বকাপে খেলা ঝুঁকি কি নেবেন?‌ মেসি ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেনটিনার জার্সি গায়ে আবার মাঠে নামবেন কিনা, তার জন্য আর কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। কারণ ৩৮ বছর বয়সী মেসিই ভাল জানেন, তাঁর মাঠে নামা কতটা ঠিক হবে।

তবে মেসি ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন ধরে নিয়ে ইতিমধ্যেই বিশ্বের জনপ্রিয় বুট প্রস্তুতকারক কোম্পানি একটি বিশেষ ধরনের বুট তৈরি করছে। শিল্পী মেসির কথা মাথায় রেখে সেই বুটের নামকরণ করা হবে ‘‌ এল আলটিমো ট্যাঙ্গো’‌ অর্থাৎ ইংরাজিতে যা ‘‌দ্য লাস্ট ট্যাঙ্গো’‌। ২০২৬ বিশ্বকাপের ঠিক আগে জুন মাসে এই বুট বাজারে আসবে, যা প্রথম উঠবে মেসির পায়ে। বুটের ডিজাইন ও কালারের মিশ্রণ ঘটেছে আর্জেন্টিনা জার্সির রং, মেসির ও দলের অতীত সাফল্যের কথা মাথায় রেখে। বুটের একটা অংশে সোনার ছোঁয়া থাকছে। যেভাবে কাতার বিশ্বকাপের পরও আর্জেন্টিনা ফুটবল দলকে মাঠে নেমে সাহায্য করেছেন মেসি সাফল্যের ধারাবাহকিতা বজায় রাখতে, তাতে বলাই যায় জাতীয় দলের বিশ্বকাপজয়ী কোচ স্কালোনি ও সতীর্থরা মেসিকে ২০২৬ বিশ্বকাপেও সঙ্গে চাইবেন খেতাব ধরে রাখার লক্ষ্যে। বিশ্বকাপে ২৬ ম্যাচ খেলে লোথার ম্যাথাউসের রেকর্ড টপকে গেছেন মেসি। আমেরিকা, মেক্সিকো, কানাডায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডটা বাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবেন মেসি। তাঁর ভক্তরাও চান মেসির বিদায়টা যেন আরও মধুর হয়।

এনিয়ে মেসির প্রতিক্রিয়া, ‘‌ দেশের জার্সিতে খেলতে ভালই লাগে। ওটা একটা বিশেষ অনুভূতি। বিশেষ করে বড় ধরনের টুর্নামেন্টে। আর বিশ্বকাপ ট্রফি জেতার অনুভূতি পাওয়ার পর। কিন্তু এটাও বলতে চাই, আমি দলের বোঝা হতে চাই না। শারীরিকভাবে ফিট থাকা জরুরি নিশ্চিতভাবে দলকে সাহায্য করতে, নিজের অবদান রাখতে।’‌

মেসি খেলেন এখন ইন্টার মিয়ামিতে। ওখানকার সঙ্গে ইওরোপিয়ান ক্যালেন্ডারের অনেকটাই পার্থক্য আছে। এইমুহূর্তে শীতকালীন ব্রেকের কারণে মেসির দলের খেলা এখন বন্ধ। এর ফলে মেসির পক্ষে রিকভারির সুযোগ রয়েছে বেশি। সেটা মেনে নিয়েই মেসির বক্তব্য, ‘‌ ইওরোপিয়ান লিগের সঙ্গে আমাদের লিগের পার্থক্য আছে। এর ফলে বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার আগে প্রিসিজন করার ও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাব। দেখা যাক, সেই প্রস্তুতি চলাকালীন বিশ্বকাপে খেলার মতো ফিট থাকতে পারি কিনা।’‌ বুঝতে অসুবিধা নেই, শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট থাকলে আর বিশ্বকাপে আরও একবার খেলার মতো উজ্জীবিত বোধ করলে মেসিকে ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলতে দেখা যাবে। ফিফাও তাই চায়, মেসির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা কর্পোরেট কোম্পানিগুলো।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *