ভারতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ মানোলো মার্কেজের অধীনে তাদের প্রথম জয়ের দিকেই এখন নজর গোটা দেশের।
কলকাতা লিগে আইএফে-এর সিদ্ধান্ত নিয়ে তোলপাড় বাংলা ফুটবল। অনেকেই মনে করছেন এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ইস্টবেঙ্গলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হল। প্রতিবাদে মোহনবাগানও।
সদ্য ইস্টবেঙ্গল এফসির দায়িত্ব ছেড়েছেন বা ছাড়তে বাধ্য হয়েছে হেড কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। তাঁর পর থেকেই ভারতীয় ফুটবলের সব থেকে বড় প্রশ্ন ইস্টবেঙ্গলের পরবর্তী কোচ কে?
মোহনবাগান ইতিমধ্যেই এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু থেকে বহিষ্কৃত হয়ে গিয়েছে ইরানে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতা না যাওয়ার কারণে।
গতবার মোহনবাগান সুপার জায়ান্টে খেলে যাওয়া অস্ট্রেলীয় সেন্টার ব্যাক ব্রেন্ডান হ্যামিল দেশে ফিরে গিয়ে ‘এ’ লিগের ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অনেক কথাই বললেন।
এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু ২০২৪/২৫ থেকে বাদ পড়ল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। ২ অক্টোবর, ২০২৪-এ ট্র্যাক্টর এফসির বিরুদ্ধে তাদের এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু গ্রুপ এ ম্যাচের জন্য ক্লাবটি ইরানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের তাব্রিজে উপস্থিত ছিল না।
খুব খুশি, আবার নয়ও। আইএসএল ২০২৪-২৫-এ মহমেডানের বিরুদ্ধে বড় জয়ের পর মোহনবাগান শিবিরে উৎসবের আবহ।
এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না। আইএসএল ২০২৪-২৫-এ এর আগে পর্যন্ত অলিখিতভাবে এগিয়েছিল মহমেডান। তার পর যে এভাবে হারের মুখ দেখতে হবে তা কে জানত।
আইএসএল ২০২৪-২৫-এর এই শনিবাসরীয় সন্ধ্যায় খেলতে নেমেছিল কলকাতার তিন দলই। মোহনবাগান ও মহমেডান যখন একে অপরের মুখোমুখি হল কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ততক্ষণে তাদের কাছে পৌঁছে গিয়েছে জমশেদপুরে ইস্টবেঙ্গলের হারের খবর।
হার যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না ইস্টবেঙ্গল এফসির। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া একটা দলকে সফল্যের পথে ফিরিয়ে আনাটা অনেকবেশি চালেঞ্জিং, নতুন দল গড়েপিঠে নেওয়ার থেকে।
