অলস্পোর্ট ডেস্ক: ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলবে না তা আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। তার জায়গায় স্কটল্যান্ডকে নিয়ে আসা হয়েছে। যদিও তা নিয়ে বিতর্ক শেষ হয়নি। বাংলাদেশের একাধিক সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে যে, টি২০ বিশ্বকাপের জন্য আইসিসি এখন তাদের সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশন আবেদনও প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর না করার আইসিসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার পর, ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে তাদের সাংবাদিকদের মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশনবাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
দ্য ডেইলি স্টার-এর প্রতিবেদন অনুসারে, বিসিবি মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং দাবি করেছেন যে, ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ থেকে ১৩০ থেকে ১৫০ জন সাংবাদিক অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য আবেদন করেছিলেন। তাঁর ধারণা অনুযায়ী, আইসিসি তাদের সবাইকে অ্যাক্রেডিটেশন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
আমজাদ বলেন, “যতদূর জানি, সব বাংলাদেশী সাংবাদিককে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এ বছর প্রায় ১৩০ থেকে ১৫০ জন সাংবাদিক আবেদন করেছিলেন, কিন্তু কেউই অ্যাক্রেডিটেশন পাননি।”
প্রতিবেদনটিতে আরও দাবি করা হয়েছে যে, ২০ ও ২১ জানুয়ারি অনুমোদন পাওয়া কিছু ফটোসাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন এখন বাতিল করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে সাংবাদিক মীর ফরিদকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, “আমি ২০ জানুয়ারি আইসিসির মিডিয়া বিভাগ থেকে একটি অনুমোদনের ইমেল পেয়েছিলাম, যার সঙ্গে একটি ভিসা সহায়তা পত্রও ছিল। কিন্তু আজ আমি আরেকটি ইমেল পেয়েছি যেখানে বলা হয়েছে যে আমার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।”
বাংলাদেশ ১৯৯৯ সাল থেকে আইসিসি ইভেন্টের অংশ, কিন্তু তাদের সাংবাদিকরা এর আগেও এই ধরনের টুর্নামেন্ট কভার করেছেন বলে জানা গিয়েছে। ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপ কভার করা বাংলাদেশী সাংবাদিক আরিফুর রহমান বাবু দাবি করেছেন যে তাকেও অ্যাক্রেডিটেশন দেওয়া হয়নি।
আরিফুর বলেন, “এমনকি যদি কোনও দল না-ও খেলে, তবুও আইসিসির সহযোগী সদস্য দেশের সাংবাদিকরা অ্যাক্রেডিটেশন পেতে পারেন। সবাইকে কেন প্রত্যাখ্যান করা হলো তার কোনও কারণ আমি খুঁজে পাচ্ছি না। আমি বিস্মিত, এবং আমি এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসজেএ)-এর সভাপতি আরিফুর রহমান বাবু আরও বলেন যে, পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার আগে তিনি বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) এবং বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্টস কমিউনিটি (বিএসজেসি)-এর সঙ্গে কথা বলার পরিকল্পনা করছেন।
আইসিসি অবশ্য বাংলাদেশের সাম্প্রতিক যে বক্তব্য, ভারতে নিরাপত্তার অভাবের কারণে তারা ক্রিকেট দলকে এখানে পাঠাবে না তাকেই হাতিয়ার করছে সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করার ক্ষেত্রে।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
