অলস্পোর্ট ডেস্ক: বিসিসিআই-এর বার্ষিক কেন্দ্রীয় চুক্তির শীর্ষস্থান অপরিবর্তিতই থাকল। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, যশপ্রীত বুমরাহ এবং রবীন্দ্র জাদেজা এ প্লাস বিভাগেই থেকে গেলেন। সব মিলে ২০২৩ সালে ২৬ জন থেকে ৩০ জন সিনিয়র পুরুষ ক্রিকেটারকে চুক্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। শ্রেয়াস আইয়ার এবং ঈশান কিষান এই তালিকা থেকে বাদ পড়লেন। “অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন যে শ্রেয়াস আইয়ার এবং ঈশান কিষানকে এই রাউন্ডের বার্ষিক চুক্তির জন্য বিবেচনা করা হয়নি,” বিসিসিআই বলেছে। এটা অবশ্য আগাম বোঝাই গিয়েছিল। বিসিসিআই-এর নির্দেশকে অবহেলা করার ফল ভাল হবে না।
“অতিরিক্ত, যে ক্রীড়াবিদরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ন্যূনতম তিনটি টেস্ট বা আটটি ওয়ানডে বা ১০টি টি-টোয়েন্টি খেলার মানদণ্ড পূরণ করবেন তাঁরা স্বাভাবিকভাবেই প্রো-রাটার ভিত্তিতে গ্রেড সি-তে অন্তর্ভুক্ত হবে৷ উদাহরণস্বরূপ, ধ্রুব জুরেল এবং সরফরাজ খান দুটো করে টেস্ট খেলেছেন৷ যদি তারা ধর্মশালা টেস্ট ম্যাচে, অর্থাৎ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি সিরিজের পঞ্চম টেস্টে অংশগ্রহণ করেন তবে গ্রেড সি-তে অন্তর্ভুক্ত করা হবে,” বিসিসিআই এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।
“নির্বাচন কমিটি নিম্নলিখিত ক্রীড়াবিদদের জন্য ফাস্ট বোলিং চুক্তির সুপারিশ করেছে – আকাশ দীপ, বিজয়কুমার ভিশক, উমরান মালিক, যশ দয়াল এবং বিদওয়াথ কাভেরাপা।
“বিসিসিআই সুপারিশ করেছে যে সমস্ত ক্রিকেটারকে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব না করার সময়কালে ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে।”
দেখে নেওয়া যাক বিসিসিআই-এর কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকায় কাঁরা থাকলেন—
গ্রেড এ প্লাস (৪ ক্রীড়াবিদ): রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, যশপ্রীত বুমরাহ ও রবীন্দ্র জাদেজা।
গ্রেড এ (৬ ক্রীড়াবিদ): রবিচন্দ্রন অশ্বিন, মহম্মদ শামি, মহম্মদ সিরাজ, কেএল রাহুল, শুভমান গিল এবং হার্দিক পাণ্ড্যে।
গ্রেড বি (৫ ক্রীড়াবিদ): সূর্য কুমার যাদব, ঋষভ পন্থ, কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেল এবং যশস্বী জয়সওয়াল।
গ্রেড সি (১৫ ক্রীড়াবিদ): রিঙ্কু সিং, তিলক ভার্মা, রুতুরাজ গায়কোয়াড়, শার্দুল ঠাকুর, শিবম দুবে, রবি বিষ্ণোই, জিতেশ শর্মা, ওয়াশিংটন সুন্দর, মুকেশ কুমার, সঞ্জু স্যামসন, আর্শদীপ সিং, কেএস ভরত, প্রসিধ কৃষ্ণা, আভেশ খান এবং রজত পাতিদার।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
