অলস্পোর্ট ডেস্ক: শেষবেলায় ভারতের টেল এন্ডারদের দুরন্ত লড়াই তৃতীয় দিনের শেষে এক রান হলেও ভারতকে এগিয়ে রাখল প্রথম ইনিংসে। ৩৮৭ রানে ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস শেষ হওয়ার পর লর্ডসে তৃতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিন ভারত থেমেছিল ১৪৫-৩-এ ক্রিজে ৫৩ রানে কেএল রাহুল ও ১৯ রানে ঋষভ পন্থ ছিলেন। তৃতীয় দিনের শুরু থেকেই দুই ব্যাটার বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন। কেএল রাহুল সেঞ্চুরিতে পৌঁছলেও, পন্থের রান আউট আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে। অনেকের মতেই ওই পরিস্থিতিতে এটা হঠকারী সিদ্ধান্ত ছিল। যখন ভালো জায়গায় ছিল ভারতের রান। শেষ পর্যন্ত টেল এন্ডারদের সাহায্যে প্রথম ইনিংসের শেষে ভারত সমানে সমানে শেষ করতে সমর্থ হয়। দিনের শেষে ইংল্যান্ড ২রানে এগিয়ে। চতুর্থ দিন ভারতের বোলারদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ তো থাকবেই।
শনিবার ১৪৫-৩ নিয়ে ইনিংস শুরু করে ভারত তামে ৩৮৭ রানে। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসও শেষ হয়েছিল ৩৮৭ রানে। ঋষভ পন্থ অল্পের জন্য এই সিরিজে তাঁর তিন নম্বর সেঞ্চুরিটি হাতছাড়া করেন। ১১২ বলে আটটি বাউন্ডারি ও দু’টি ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৭৪ রান করে রান আউট হয়ে যান ঋষভ পন্থ। বেন স্টোকসের অসাধারম বুদ্ধিমত্তার পরিচয়ও এই রান আউট। পন্থের আউটের বড় ধাক্কা খায় ভারতের ব্যাটিং। এর পর ১৭৭ বলে ১৩টি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ১০০ রান করে প্যাভেলিয়নে ফেরেন রাহুল। দলগত ২৪৮ ও ৫৪ রানে রাহুল ও পন্থ ফেরার পর ভারতের ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন রবীন্দ্রা জাডেজা।
২৫৪-৫ থেকে ভারতের ষষ্ঠ উইকেট পড়ে ৩২৬ রানে। জাডেজার সঙ্গে কখনও নীতীশ কুমার রেড্ডি আবার কখনও ওয়াশিংটন সুন্দর ভারতের রানকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। রবীন্দ্র জাডেজা ৭২, নীতীশ কুমার ৩০ ও ওয়াশিংটন সুন্দর ২৩ রান করে আউট হন। এর পর আকাশ দীপ ৭ ও যশপ্রীত বুমরাহ রানের খাতা না খুলেই ফিরে যান। মহম্মদ সিরাজ দুই বল খেলে কোনও রান না করে অপরাজিত থাকেন। ১১৯.২ ওভারে ৩৮৭ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারত।
ইংল্যান্ডের হয়ে তিন উইকেট নেন ক্রিস ওকস। দুটো করে উইকেট নেন জোফরা আর্চার ও বেন স্টোকস। একটি করে উইকেট নেন ব্রাইডন কার্স ও শোয়েব বশির। তৃতীয় দিনই দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে পড়ে ইংল্যান্ড। তবে এক ওভারই খেলা হয়। তৃতীয় দিনের শেষে ভারতের থেকে ২ রানে এগিয়ে ইংল্যান্ড। ২ রান করে ক্রিজে রয়েছেন জ্যাক ক্রলি ও কোনও রান না করে বেন ডাকেট। ইংল্যান্ড ২-০।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
