অলস্পোর্ট ডেস্ক: এটি এখন একটি প্রবণতা হয়ে উঠছে! ক্রিকেটের মাঠে যখনই বাংলাদেশের মুখোমুখি হয় ভারত, তখনই তৈরি হয় বিতর্কীত মুহূর্ত। অনূর্ধ্ব-১৯ স্তরে হোক বা সিনিয়র স্তরে, উভয় দলের খেলোয়াড়রা অতীতে ক্রিকেট মাঠে মৌখিক বিবাদে জড়িয়ে পড়েছেন। শুক্রবার কলম্বোতে ভারত এ এবং বাংলাদেশ এ-এর মধ্যে ইমার্জিং এশিয়া কাপ-এর সেমিফাইনালের সময়ও একই দৃশ্য সামনে চলে এল। ২১২ রান তাড়া করতে গিয়ে বাংলাদেশ দারুণ শুরু করেছিল। একটা সময় ৭০/০ হওয়া সত্ত্বেও, তারা ১৬০ রানে অলআউট হয়ে যায়। ২৬ ওভারের দ্বিতীয় বলে শুরু হয় তর্কাতর্কি, যখন নিকিন জোস ডাইভ দিয়ে সৌম্য সরকারের ক্যাচ তুলে নেন। তখন ভারতের হয়ে বল করছিলেন যুবরাজ সিংহ দোদিয়া।
ক্লিন ক্যাচ কিনা সৌম্য নিশ্চিত হতে পারছিলেন না এবং ক্রিজে দাঁড়িয়েছিলেন। তারপর ভারতের তরফে ক্রিকেটাররা তাঁকে মাঠের বাইরে যেতে বলেন। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আগেই সাই সুদর্শনের মতো খেলোয়াড়রা সেটা থামিয়ে দেন।
শুক্রবার সেমিফাইনালে বাংলাদেশ এ-কে ৫১ রানে পরাজিত করার পর ভারত এ পাকিস্তান এ-এর বিপক্ষে সম্ভাব্য হাই-ভোল্টেজ ইমার্জিং এশিয়া কাপ ফাইনালে খেলতে চলেছে। বাংলাদেশ ভারতকে ২১১ রানে গুটিয়ে দিয়েছিল, অধিনায়ক যশ ধুলের ৮৫ বলে দুর্দান্ত ৬৬ রানের ইনিংস ভারতকে ২০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। কিন্তু, ভারতীয় স্পিনাররা বাংলাদেশকে ১৬০ রানে গুটিয়ে দিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নেয়।
বাঁ-হাতি স্পিনার নিশান্ত সিন্ধু পাঁচ উইকেট নিয়ে (২০ রানে ৫) বাংলাদেশকে বড় ধাক্কা দেন। কিন্তু ভারতের জয়ের আসল নায়ক ছিলেন ধুল। ভারতীয় ঘরোয়া সার্কিটে তাঁর সম্পর্কে বলা হয় তাঁকে যেন তুলোর মধ্যে সংরক্ষিত করে রাখা হয়, এবং এই দিনের ইনিংস সেটা বুঝিয়ে দিয়েছে। ২০ বছর বয়সেই এই ক্রিকেটার অসাধারণ ঠান্ডা মাথার অধিকারি। ১৯তম ওভারে ভারতের যখন ২ উইকেটে ৭৫ রান তখন দিল্লির তরুণ হাল ধরেন ভারতীয় ইনিংসের।
চাপটাও সামাল দেন দৃঢ়তার সঙ্গে। সামগ্রিকভাবে, ধুল ম্যাচে ৩০ ওভার ব্যাট করেছিলেন এবং ৫০তম ওভারে আউট হওয়া শেষ ব্যক্তি ছিলেন তিনি। তবে তাঁর ইনিংস ভারতের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
