অলস্পোর্ট ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ঘরোয়া লিগের নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে ভারতীয ফুটবল ফেডারেশনের হাতে। অর্থাৎ এতকাল যেমন এফএসডিএলের খবরদারি ছিল আইএসএলে, সেটা এখন থেকে এআইএফএফের হাতে থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ মাথায় রেখেও ভারতীয় ফুটবল আইকন বাইচুং ভুটিয়ার বক্তব্য, আইএসএল সুষ্ঠু ভাবে চালাতে আইপিএল মডেল অনুসরণ করা উচিত এআইএফএফের।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করা মানে আদালত অবমাননা। সেটা সম্ভব নয়। তাই বাইচুংয়ের মতে, যেটা এতকাল দক্ষতার সঙ্গে চালিয়ে এসেছে এফএসডিএল, সেই আইএসএল হঠাৎ করে এআইএফএফ একক ভাবে চালানোর মতো জায়গায় নেই অভিজ্ঞতার দিক থেকে। তাই আইএসএলের অংশগ্রহণকারী ক্লাব, এফএসডিএল, টেলিভিশন রাইটস হোল্ডারদের সহযোগিতা নিতেই হবে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে টুর্নামেন্টের সঠিক পরিচালনায়। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) আইপিএল আয়োজনে দারুনভাবে সফল। আইএসএল আয়োজনে সেই আইপিএল মডেলটাই ফলো করা দরকার এআইএফএফের।
এআইএফএফের একার পক্ষে আইএসএল আয়োজন সফল ভাবে করা বেশ কঠিন। যতই গ্লোবাল টেন্ডার ডেকে নতুন বানিজ্যিক সহযোগী খুঁজে আনা হোক না কেন। অভিজ্ঞতা তো নেই। তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ তো অমান্য করা তো সম্ভব নয়। তাই যেই আসুক, এফএসডিএলের সাহায্য নেওয়া উচিত।
সুপ্রিম কোর্ট এও নির্দেশ দিয়েছে, এআইএফএফের কার্যকরী কমিটিতে প্রাক্তন ফুটবলারদের বেশি করে রাখতে হবে। পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে। বাইচুংয়ের মতে, এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। যদি জেলা থেকে রাজ্য স্তরের ফুটবল প্রশাসনের দিকে নজর দিলে দেখা যাবে, প্রাক্তন ফুটবলারদের সেখানে কোনও অবদানের অবকাশ নেই প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ না থাকায়। ফুটবলারদের অনেকেই কোচিংয়ে যুক্ত হলেও, প্রশাসনে তাঁদের রাখতে সকলেরই অনীহা। অথচ প্রাক্তন ফুটবলাররা প্রশাসনে থাকলে, সর্বস্তরে ফুটবলের উন্নতি ঘটবে, তাঁদের অভিজ্ঞতা, মতামত কাজে লাগিয়ে।
একদিকে, যখন ফেডারেশনের নতুন বানিজ্যিক সহযোগী খোঁজার কাজ চলছে, তখন সুপ্রিম কোর্ট তাদের দেওয়া সংশোধিত নতুন সংবিধান ৪ সপ্তাহের মধ্যে বিশেষ সাধারন সভা ডেকে সদস্যদের দিয়ে অনুমোদন করার নির্দেশ দিয়েছেন। সেই সভা ১২ অক্টোবর ডাকার হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ফেডারেশনে ইতিমধ্যেই জোর নড়াচড়া শুরু হয়েছে।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
