Cart Total Items (0)

Cart

All Sports India

 

অলস্পোর্ট ডেস্ক:‌ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টারফাইনালের প্রথম দফায় মাদ্রিদের মাঠে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ১-‌২ গোলে হারলেও পরবর্তী পর্যায়ে এগোনোর আশা রিয়েল মাদ্রিদের এখনও বেঁচে কিলিয়ান এমবাপের দ্বিতীয়ার্ধে করা গোলে। এমনটাই মনে করেছেন রিয়েলের কোচ আলভারো আরবেলাও। শনিবার মিউনিখের মাঠে ফিরতি দফার ম্যাচে বায়ার্নের মুখোমুখি হবে রিয়েল। তবে এই ম্যাচের আসল নায়ক বায়ার্ন মিউনিখের গোলকিপার ম্যানুয়েল নয়ার। বিশ্বকাপজয়ী জার্মানির গোলকিপার নয়ারের দুরন্ত সেভের জন্য বায়ার্ন অ্যাওয়ে ম্যাচে জয় তুলে নিতে সক্ষম হয়েছে।

শুরু থেকেই বার্নাবু স্টেডিয়ামে আক্রমণে ঝড় তুলে ৪১ মিনিটে বায়ার্ন মিউনিখকে এগিয়ে দেন লুই দিয়াজ। দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু হওয়ার ২০ সেকেন্ডের মধ্যে বায়ার্নের লিড বাড়িয়ে ২-‌০ করেন হ্যারি কিন। রিয়েল মাদ্রিদের পক্ষে এক গোলের ব্যবধান কমান এমবাপে দ্বিতীয়ার্ধে গোল করে। এই মরশুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটা এমবাপের ১৪ নম্বর গোল।

গত শনিবার লালিগায় চোটের পর খেলতে নেমে মলোরকার বিরুদ্ধে ম্যাচে একবারেই নিজের ফর্মের ধারেকাছে ছিলেন না এমবাপে। এতে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। কারণ মলোরকার ওই হারের ফলে খেতাবী দৌড়ে বার্সিলোনার থেকে ৭ পয়েন্ট পিছিয়ে গেছে রিয়েল মাদ্রিদ। এখন তাদের সামনে তাই চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সেই ক্ষতি পোষানোর সুযোগ রয়েছে। তবে সেটা খুব সহজ নয় বায়ার্নের মাঠে ফিরতি দফার ম্যাচ জেতাটা।

অবশ্য রিয়েল মাদ্রিদের কোচ আরবেলো আত্মবিশ্বাসী ও আশাবাদী ফিরতি দফার লড়াই নিয়ে। বলেন, ‘‌ আমাদের আশা এখনও বেঁচে। মাত্র এক গোলে পিছিয়ে আছি। আমরা যেকোনও মাঠে জিততে সক্ষম। এটা ঠিক, ব্যবধানটা ০-‌২ হলে কঠিন হত। আমি ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে বলছিলাম, এক গোলে পিছিয়ে থাকলে, সেই ব্যবধানটা ঘুচিয়ে ফেলা সম্ভব। যদি কোনও দল মিউনিখে গিয়ে জিততে পারে, তারা হল রিয়েল। সঙ্গে যখন এমবাপের মতো একজন ফুটবলার আছে। ও বায়ার্নকে চাপে রেখেছিল। বুঝিয়েছে কেন ও বিশ্বের সেরা ফুটবলার।’‌ কার্ড সমস্যায় ফিরতি দফায় রিয়েল মাদ্রিদ পাবে না চুয়ামনিকে। আরবোলা তাঁর বিকল্প ভেবে রেখেছেন।

বায়ার্নের প্রথম দফার জয়ের পিছনে একটা বড় অবদান আছে তাদের গোলকিপার ম্যানুয়েল নয়ারের। বর্ষীয়ান এই গোলকিপার ম্যাচে ৯টি সেভ করে বায়ার্নকে ২-‌১ গোলে এগিয়ে রেখেছেন। এমবাপে ও ভিনিসিয়াস জুনিয়রের তিনটি করে গোল করার প্রচেষ্টা রুখে দিয়ে ৪০ বছর বয়সী নয়ার বার্নাবুর মাঠে ম্যাচের সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবলারের স্বীকৃতি লাভ করেছেন ম্যাচে। এমবাপের ৭৪ মিনিটের গোলটাও প্রায় বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন নয়ার। এমবাপের শট নয়ারের হাতে লেগে গড়িয়ে গোলে ঢোকে। নয়ারের ৯টি সেভ সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে কোনও গোলকিপারের গত ৫ মরশুমে সর্বাধিক। ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নকআউট ম্যাচে রিয়েলের বিরুদ্ধে ১০টি সেভ করেছিলেন নয়ার।

ম্যাচ শেষে ভিনসেন্ট কোম্পানি প্রচারমাধ্যমকে বলেন, ‘‌ যতদিন যাচ্ছ নয়ার আমাকে মুগ্ধ করছে। বলতে গেলে পুরোন চাল ভাতে বাড়ে। গোলকিপার থিবাও কুর্তোয়া কথা মনে রেখেই বলছি, নয়ার নিজের দক্ষতা তুলে ধরার কাজটা দীর্ঘসময় ধরে ধারাবাহিকভাবে ভালভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। এইজন্য ও অন্যদের থেকে আলাদা। ওকে আমি প্রতিদিন ট্রেইংয়ে দেখি, নিজেকে কীভাবে উজাড় করে দেয়। আর এই কারণে ওকে বায়ার্নের সেরা ফুটবলার বললে ভুল হবে না।’‌

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *