—নিজস্ব চিত্র
সুচরিতা সেন চৌধুরী : বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। দুপুর গড়াতেই ঝেঁপে বৃষ্টি এল। তাঁর মধ্যেই শুরু হল ম্যাচ। এদিন কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে সেই বৃষ্টিস্নাত আবহের মধ্যেই উত্তাপ ছড়াল সমর্থকদের প্রতিবাদ, যা ক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে পৌঁছে গিয়েছিল খেলার মাঠে। এদিন গোকুলাম কেরালার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে আইএফএ শিল্ড ২০২৫ যাত্রা শুরু করল মোহনবাগান। প্রথম ম্যাচে জয়ও তুলে নিল মোহনবাগান তবুও সমর্থকদের ক্ষোভ গেল না। প্রকৃতির আকাশে অন্ধকার ঘনালেও ৫-১ গোলে জিতে একটু হলেও আলো ছড়ানোর চেষ্টা করলেন রবসন, জেমি, আলড্রেডরা। প্রতিবাদ তবুও থামল না সমর্থকদের।
ম্যাচ শুরুর ১১ মিনিটেই গোল করে মোহনবাগানকে এগিয়ে দিয়েছিলেন অ্যালবার্তো রডরিগেজ। রবসনের কর্নার থেকে অ্যালবার্টোর হেড চলে যায় গোলে। ২৭ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান ২-০ করলেন জেমি ম্যাকলারেন। গোলের বল তৈরি করেছিলেন সেই রবসন। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে মনবীরের গোল অফসাইডের জন্য বাতিল না হলে ৩-০ গোলে এগিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করতে পারত মোহনবাগান।
২-০ গোলে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নেমে আরও দুটো গোল করল মোহনবাগান। সঙ্গে একটা হজমও করতে হল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪৮ মিনিটে ব্যবধান কমল মোহনবাগানের তাদেরই ভুলে। গোকুলাম কেরালার মার্টিনেজের গোলমুখি সেন্টার ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজের গোলেই ঢুকিয়ে দিলেন আপুইয়া। ২-১ হতেই পর পর গোলে আবার ব্যবধান বাড়াল মোহনবাগান।
৫১ মিনিটে কর্নার থেকে আবারও সেই রবসনের সেন্টারে অ্যালবার্তোর হেড চলে গেল গোলে। ৫৩ মিনিটে ম্যাকলারেনের বাড়ানো বল ধরে শেষ পর্যন্ত নিজের নামের পাশে গোল লিখে নিলেন রবসন। তাঁর পোস্টে ধাক্কা খেয়ে চলে গেল গোলে। তিনটি অ্যাসিস্ট আর একটি গোলের পিছনে নাম লিখে নিয়ে কলকাতা ফুটবলে নিজেকে প্রমাণ করতে শুরু করে দিলেন রবসন। ৭৮ মিনিটে শেষ কাজটি করে গেলেন ম্যাকলারেন। অ্যালবার্তো আর ম্যাকলারেন নিজের নামের পাশে দুটৌ করে গোল লিখে নিলেন।
মোহনবাগান: বিশাল কাইথ, শুভাশিস বোস (টেকচাম অভিষেক সিং), টম আলড্রেড (জেসন কামিন্স), আলবার্তো রডরিগেজ, মেহতাব সিং, অনিরুদ্ধ থাপা (অভিষেক সূর্যবংশী), রবসন দা সিলভা, আপুইয়া, মনবীর সিং (আশিস রাই), কিয়ান নাসিরি, জেমি ম্যাকলারেন
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
