লড়াইটা যখন ১৩-র সঙ্গে তিনের তখন স্বাভাবিকবাবেই অসম যুদ্ধ। সে কথা মেনেও নিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচঅস্কার ব্রুজোঁ। সাত ম্যাচে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে ঘরের মাঠে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে লাল-হলুদ ব্রিগেড।
এক গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত হার, তাদের কাছে নতুন নয়। তবে মহমেডান এসসি-র রাশিয়ান কোচ আন্দ্রেই চেরনিশভ মনে করেন, তাঁর দলের ফুটবলারদের মনঃসংযোগ ও অভিজ্ঞতার অভাবই বুধবারের ম্যাচে জিততে দিল না তাদের।
ম্যাচের ৮২ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থাকার পরেও ম্যাচের শেষে হারের হতাশা নিয়ে ঘরের মাঠ ছাড়তে হল মহমেডান এসসি-কে। সারা ম্যাচে চাপে থাকার পরেও দ্বিতীয়ার্ধে রিজার্ভ বেঞ্চ থেকে নেমে বেঙ্গালুরু এফসি-কে ম্যাচে ফিরিয়ে ২-১-এ জয়ও এনে দিলেন ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি...
লড়াইটা প্রথম তিনে থাকা একটি দলের সঙ্গে শেষ তিনে থাকা একটি দলের। তাই অনেকে মহমেডান এসসি ও বেঙ্গালুরু এফসি-র মধ্যে ম্যাচকে ‘ডেভিড বনাম গোলিয়াথ’-এর লড়াই বলতে পারেন।
শনিবার জামশেদপুর এফসি-র বিরুদ্ধে জয় তাদের লিগ টেবলের শীর্ষে তুলে দিয়েছে। ফলে এখন থেকে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের চলার পথ আরও কঠিন হয়ে গেল বলে মনে করেন তাদের স্প্যানিশ কোচ হোসে মোলিনা।
ছুটি কাটিয়ে ফিরে শুরুটা ভালই করে দিল মোহনবাগান। ঘরের মাঠে হেডকোচহীন জামশেদপুরের বিরুদ্ধে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের দখল নিজেদের কাছেই রাখলেন মোহনবাগান প্লেয়াররা।
পুরো দল ছুটি কাটালেও লিস্টন, মনবীরদের কিন্তু সেই সময়টা কেটেছে ভারতীয় দলের শিবিরে। ফিফা ফ্রেন্ডলিতে মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় দলে ছিলেন মোহনবাগানের একাধিক প্লেয়ার।
ছুটি কাটিয়ে বেশ ফুরফুরে মেজাজে পুরো মোহনবাগান টিম।ন অনুশীলনও করছে বেশ কয়েকদিন ধরেই। সাধারণত অনুশীলন ১৫ মিনিটের বেশি দেখতে দেওয়া হয় না।
শনিবার যুবভারতী স্টেডিয়ামে লড়াই লিগ টেবলের দু’য়ের বিরুদ্ধে সাতের। তবুও আত্মবিশ্বাসী এক ধাক্কায় অনেকটা পিছিয়ে পড়া জামশেদপুর এফসি।
ওড়িশা এফসির ঘরের মাঠে তাদের বিরুদ্ধে খেলাটা সব সময়ই কঠিন। বিশেষ করে প্রতিপক্ষ যখন মোহনবাগান। শুরু থেকেই এই দুই দলের লড়াই ঘিরে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে থাকে।
