লড়াইটা শুরু হয়েছিল ডুরান্ড কাপ ফাইনালে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে হারের পর থেকেই। কার্লেস কুয়াদ্রাতের হাত ধরে আট ম্যাচ পর মোহনবাগানের বিরুদ্ধে জয়ের হাসি হেসেছিল ইস্টবেঙ্গল।
গত কয়েক ম্যাচে দুই দলের পারফর্মেন্স দেখে ধরে নেওয়াই হয়েছিল এই ডার্বি জিততে চলেছে ইস্টবেঙ্গলই।
প্রথম ডার্বি গোল। শুধু গোল নয় ডার্বিতে প্রথম জোড়া গোল। কলিঙ্গ সুপার কাপ ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের জয়ের অন্যতম নায়ক তিনিই।
ডার্বির ভুবনেশ্বর যে রঙ বদলাবে তা নিয়ে কোনও সংশয় ছিল না। বাংলার সব রাস্তাই এদিন এসে মিশেছিল এই কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে।
তাঁর মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে যখন নাম ঘোষণা হয় তখন অনেক রকমের প্রশ্নের উত্থান হয়েছিল।
ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান খেলছে কিন্তু গ্যালারি ফাঁকা এমনটা সাধারণত দেখা যায় না। কলকাতার বাইরে অন্য রাজ্যে যে সেটা স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
জয় দিয়ে কলিঙ্গ সুপার কাপ অভিযান শুরু করার পর এ বার সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পরীক্ষা কলকাতার দুই ক্লাব মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ও ইস্টবেঙ্গল এফসি-র।
মঙ্গলবার থেকে কলিঙ্গ সুপার কাপ-এর আসর বসতে চলেছে ওডিশা এফসি-র ‘হোম’ ভুবনেশ্বরে। এই নক আউট টুর্নামেন্টে প্রতি বারের মতো এ বারেও প্রতিটি দলের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ।
রাত পোহালেই কলিঙ্গ সুপার কাপ খেলতে মাঠে নেমে পড়বে দেশের অন্যতম সেরা ফুটবল দলগুলো।
ইস্টবেঙ্গল এফসি এবং মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট কলিঙ্গ সুপার কাপ গ্রুপ এ-র প্রথম ম্যাচে নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষা করতে প্রস্তুত।
