গত ১২ অগস্ট ডুরান্ড কাপ ২০২৩-এর গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। যে ম্যাচে দীর্ঘদিন পর ডার্বি জয়ের স্বাদ পেয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড।
ডিয়ার কার্লেস কুয়াদ্রাত স্যর,
হ্যাঁ আপনাকে ডিয়ার বলছি। আমরা জাতে বাঙাল। বড্ড সহজে আমরা অচেনা মানুষকে ডিয়ার বানিয়ে ফেলি। আজকের পর থেকে আপনিও আমাদের ডিয়ার ফ্রেন্ড।
শাপমুক্তি ইস্টবেঙ্গল এফসির। সাড়ে চার বছর পর মোহনবাগানকে হারাল লাল-হলুদ ব্রিগেড। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের হিসেব করা সম্ভব নয়।
লড়াইটা আসলে ৯০ মিনিটের। তার বাইরে কেউ বন্ধু, কেউ প্রশংসক আবার কেউ শুধুই প্রতিপক্ষ। তবে কলকাতা ডার্বি সব সময়ই ভারতীয় ফুটবলকে নতুন কিছু শিখিয়ে যায়।
ডুরান্ড কাপ ২০২৩-এর শুরুটা ইস্টবেঙ্গলের মোটেও ভাল হল না। যে বাংলাদেশ আর্মিকে ৫-০ গোলে হারিয়েছিল মোহনবাগান সেই দলের সঙ্গেই আটকে গেল ইস্টবেঙ্গল।
জোড়া বিদেশির নাম ঘোষণা করে দিল ইস্টবেঙ্গল এফসি । শনিবার ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে জানানো হয় দুই ডিফেন্ডার জর্ডন এলসি এবং হোসে অ্যান্তোনিও পার্দো লুকাসের নাম।
অনূর্ধ্ব ১৭ ভারতীয় দলের দুই সদস্য ভানলাপেকা গুইতে ও গুনরাজ সিং গ্রেওয়ালকে আগামী কয়েক মরশুমের জন্য সই করিয়ে নিল ইস্টবেঙ্গল এফসি ।
প্রবসুখন গিল যে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিচ্ছেন তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। সঙ্গে আসছেন তাঁর ভাই গুরসিমরাত সিং গিলও। এক কথায় গিল ব্রাদার্স ভরসা দিতে আসছে ইস্টবেঙ্গলকে।
এই সমস্যা যে কবে থামবে তা কেউ জানে না। ঘন ঘন দলের নাম বদলালে যা হয় আর কী। ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান-এর ক্ষেত্রেও তেমনটাই ঘটছে প্রতিনিয়ত।
ট্রান্সফার উইন্ডো খুলতেই পর পর গুরুত্বর্পূণ প্লেয়ারদের তুলে নিয়ে দল গুছিয়ে নেওয়ার রাস্তায় হাঁটতে শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গল এফসি। এবার এক বছরের চুক্তিতে দলে নিল মিডফিল্ডার বোরহা হেরেরাকে।
