Cart Total Items (0)

Cart

All Sports
বারাসত স্টেডিয়ামের মাঠ তৈরি নয়, তাই শেষপর্যন্ত কল্যানী স্টেডিয়ামের মাঠকেই ১৯ জুলাই কলকাতা প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের ডার্বির জন্য বেছেছে আইএফএ। ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের মুখোমুখি হতে তৈরি থাকলেও, কল্যানীর মাঠে খেলা দেওয়া নিয়ে রীতিমতো অসন্তোষ প্রকাশ করলেন মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত...
ডুরান্ড আয়োজন নিয়ে একটা ডামাডোলের মাঝে কলকাতা প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের খেলা জোরকদমে শুরু হয়ে গেছে। দুই প্রধানের মধ্যে মোহনবাগান এসজি যখন ডুরান্ডে অংশগ্রহনের বিষয়টি এখনও ঝুলিয়ে রেখেছে নানা কারণ দেখিয়ে, তখন কলকাতা লিগে চুটিয়ে খেলছে তারা।
কলকাতা ডার্বির শততম বছর হতাশার নজির তৈরি করল। কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে ইস্টবেঙ্গল আর মোহনবাগান মুখোমুখি হবে আর গ্যালারি এভাবে ফাঁকা থাকবে তা হয়তো অতি বড় বোদ্ধাও বুঝে উঠতে পারেননি।
সময়টা সত্যিই ভাল যাচ্ছে না ইস্টবেঙ্গলের। বিশেষ করে যখন মোহনবাগান প্রতিপক্ষ হিসেবে মাঠে নামছে তখন তো একদমই ভাল যাচ্ছে না।
হঠাৎই ডার্বি ঘিরে দেখা দিয়েছিল সঙ্কট। আইএসএল ২০২৪-এর প্রথম ডার্বির দিনও বদলাতে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত লিগের প্রথম পর্বের শেষে সেই ডার্বি আয়োজন করা সম্ভব হয়।
আইএসএল ২০২৩-২৪-এর প্রথম ডার্বি ঘিরে অনেক প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু তার অনেকটাই পূরণ হল না। গ্যালারি থেকে মাঠ, সব জায়গাতেই ফাঁক থেকে গেল।
১২ বছর পর জাতীয় স্তরের টুর্নামেন্ট জয়ের পরের ম্যাচই যখন হয় ডার্বি তখন অনেকটা টেনশন থাকে বটে। মেনে নিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত।
প্রথম ডার্বি গোল। শুধু গোল নয় ডার্বিতে প্রথম জোড়া গোল। কলিঙ্গ সুপার কাপ ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের জয়ের অন্যতম নায়ক তিনিই।
কলকাতার বাইরে ডার্বি মানে কিছুটা ম্যারম্যারে। কারণ দুই দলের সমর্থকরা সব সময় গ্যালারি ভরাাতে পারেন না। তবে এবারটা কিন্তু তেমন হচ্ছে না।
রাত পোহালেই আরও একটি ডার্বি। মরসুমের তৃতীয় কলকাতা ডার্বিতে কলিঙ্গ সুপার কাপ খেলতে নামছে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান, তবে উড়িষ্যার মাটিতে।