মঙ্গলবার প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাত টাইটান্সকে ১৫ রানে হারিয়ে দিল চেন্নাই। টসে জিতে পরে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন গুজরাত অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ড্য। ব্যুমেরাং হল সেই সিদ্ধান্ত। প্রথমে ব্যাট করে ১৭২-৭ তুলেছিল চেন্নাই। জবাবে গুজরাত থেমে গেল ১৫৭ রানে।
বুধবার এলিমিনেটর ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে মুম্বই ও লখনউ। শেষ ম্যাচ জিতে রোহিত শর্মার দল প্লে অফে উঠেছে। অপরদিকে ক্রুনাল পান্ডিয়ার অধীনে কেকেআরকে হারিয়ে শেষ চারের যোগ্যতা অর্জন করেছে লখনউ।
বিরাট কোহলি এবং সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ঝামেলার কি ইতি হয়েছে? কারণ দিন ১৫ আগেই দুই প্রাক্তন ভারত অধিনায়ককে হ্যান্ডশেক করতে দেখা গিয়েছে। এবং একে অপরের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করতে দেখা গিয়েছে।
কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার মধ্যমণি মেসি হলেও আর এক নায়ক ছিলেন মার্তিনেস। সেই মার্তিনেস এ বার মেসিকে নিজের ক্লাবে নিয়ে আসার শপথ করলেন। প্রয়োজনে নিজের বেতন কমিয়ে দেবেন তিনি।
ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের আগে সম্মিলিত ভাবে ভারত-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে থেকে সেরা টেস্ট একাদশকে বেছে নিয়েছেন।
গতবারের আইপিএলে প্লে-অফে উঠলেও এ বার লিগ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে। বিরাট কোহলির শতরানের পরেও শেষ ম্যাচে হারতে হয়েছে আরসিবিকে। এমন অবস্থায় বিরাটকে আরসিবি ছেড়ে দিল্লি ক্যাপিটালসে যোগ দিতে বললেন কেভিন পিটারসেন।
আরও এক ইতিহাস গড়লেন নীরজ চোপড়া। এই প্রথম কোনও ভারতীয় ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড অ্যাথলিট হিসেবে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান দখল করলেন ‘সোনার ছেলে’। বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স সংস্থার সাম্প্রতিক ক্রমপর্যায় অনুযায়ী, পুরুষদের জ্যাভেলিন থ্রো ইভেন্টে বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় হয়েছেন নীরজ ।
মোহনবাগান বনাম কেকেআরের লড়াই চলছেই। লখনউ ম্যাচে ইডেন গার্ডেন্সে সবুজ-মেরুন জার্সি পরিহিত সমর্থকদের ঢুকতে না দেওয়ার প্রসঙ্গে রবিবার বিবৃতি জারি করেছিল মোহনবাগান। কড়া বিবৃতিতে কেকেআরের আচরণের তীব্র নিন্দা করেছিল তারা। সোমবার পাল্টা বিবৃতিতে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে কেকেআর।
গত মরশুমের ধারাবাহিকতা এবারও বজায় রেখেছে গুজরাত। প্রথম দল হিসাবে প্লেঅফে জায়গা করে নেয় হার্দিক পান্ডিয়ার দল। অনেকেই এবারের আইপিএলে ফেভারিট হিসাবে ধরে রেখেছে গুজরাতকে। সমর্থকদের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।
গুজরাতের ইনিংসের ১৫তম ওভারে হাঁটুতে চোট পান কোহলি। বিজয় শঙ্করের ক্যাচ ধরতে গেলে আঘাত লাগে তাঁর। সঙ্গে সঙ্গে মাঠে ছুটে আসেন আরসিবির ফিজিয়ো। তাঁর সঙ্গেই মাঠ ছাড়েন কোহলি। ম্যাচের বাকি সময়টা তিনি দলের ডাগ আউটেই বসেছিলেন। আর মাঠে নামেননি।...
