Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক: মালের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে মোহনবাগানের কাছে এ দিন ছিল নিয়মরক্ষার ম্যাচ। জিতলে বা হারলেও এএফসি কাপের পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার কোনও উপায় ছিল না। তাই সোমবার মালে-তে পুরোপুরি জুনিয়রদের নিয়ে তৈরি দল নামায় মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এবং মাজিয়া এসআরসি-র কাছে হেরেও যায়। গ্রুপ পর্বে মাজিয়া তাদের একমাত্র জয় পেল ১-০-য়।

মাত্র ১৩ জনের স্কোয়াড নিয়ে এই ম্যাচের জন্য মালে-য় গিয়েছিল কলকাতার দল। সিনিয়র দলের অনেকেরই চোট। তা ছাড়া এই ম্যাচের কোনও গুরুত্বও ছিল না। সর্বোপরি, সামনে আইএসএলের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন ম্যাচ রয়েছে মোহনবাগান এসজি-র সামনে। তাই জুনিয়রদের নিয়েই এই ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। তবে মাজিয়া তাদের গ্রুপ পর্বের একমাত্র জয় পাওয়ার উদ্দেশ্যে তাদের প্রথম দলই নামায়।

প্রত্যাশিত ফলই হয়। তবে ব্যবধান ১-০-র বেশি হতে দেননি সবুজ-মেরুন বাহিনীর ফুটবলাররা। বিশেষ করে গোলকিপার অর্শ আনোয়ার শেখ এ দিন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান। সারা ম্যাচে ন’টি সেভ করেন তিনি। আক্রমণাত্মক মাজিয়াকে প্রায় একা হাতে সামলান এই তরুণ গোলকিপার।

মোহনবাগানের রক্ষণে এ দিন ছিলেন রাজ বাসফোর, দীপক টাঙরি, সুমিত রাঠি ও অমনদীপ ভান। তাঁরা সারা ম্যাচে ন’বার ইন্টারসেপশন করেন। মাজিয়া যেখানে সাতটি কর্নার আদায় করে নেয়, সেখানে মোহনবাগান এ দিন একটিও কর্নার পায়নি।     

সারা ম্যাচে মাজিয়াই আধিপত্য করে। তারা যেখানে ২৮টি শটের মধ্যে দশটি গোলে রাখে, সেখানে মোহনবাগানের অ্যাটাকাররা ন’টির বেশি শট নিতে পারেননি এবং তার মধ্যে মাত্র দু’টি ছিল লক্ষ্যে। ম্যাচের শেষ দিকে স্টপেজ টাইমে সুহেল ভাট বক্সের বাইরে থেকে গোলে শট নেন এবং ৬২ মিনিটের মাথায় নিঙ্গোমবাম সিং বক্সের বাঁদিক থেকে বল গোলে রাখেন। কিন্তু এই দুই শটই আটকে দেন মাজিয়ার গোলকিপার।

এ ছাড়াও ২৭ মিনিটের মাথায় টাইসন সিং-এর শট অল্পের জন্য গোলের বাইরে চলে যায়। ৪৯ মিনিটের মাথায় লালরিলিয়ানা হ্নামতে বক্সের প্রায় মাঝখান থেকে বারের ওপর দিয়ে বল উড়িয়ে দেন।  

বল দখল (৫১-৪৯), পাসের সংখ্যা (৪৬৮-৫৫৮), নিখুঁত পাসের হার (৮৭-৮৫) দিক থেকে মোহনবাগান তেমন পিছিয়ে না থাকলেও আক্রমণের দিক থেকে তাদের অনেকটাই পিছিয়ে দেয় মাজিয়া। ক্রসের সংখ্যা (১৮-৫), নিখুঁত ক্রসের হার (৩৩-২০) ও নিখুঁত শটের হারের (৩৬-২২) দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে ছিল মলদ্বীপের সেরা দল।

শুরু থেকেই নাগাড়ে আক্রমণের পর মাজিয়া গোল পায় ৪০ মিনিটের মাথায়, যখন বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া হাসান রাইফ আহমেদের দুর্দান্ত শটে হাওয়ায় বাঁক খেয়ে বল জালে জড়িয়ে যায়। সারা ম্যাচে দুর্দান্ত কিছু সেভ করলেও এক্ষেত্রে হাসানের শটে এতটাই গতি ছিল যে, তার নাগাল পাননি অর্শ আনোয়ার শেখ।

দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ঠিক করেই নিয়েছিল আর গোল খাবে না তারা এবং পাল্টা আক্রমণের সুযোগের অপেক্ষায় থাকবে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ীই খেলে তারা। তবে চেষ্টা করেও সমতা আনতে পারেনি।

(লেখা আইএসএল ওয়েব সাইট থেকে)

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *